প্রকাশ: ২৮ মে ২০২০, ১৮:৫৬
বাংলাদেশ ব্যাংক সচল রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিশেষ ঋণ সুবিধা চালু করেছে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের কারণে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জারি করা সার্কুলারের মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। সার্কুলারের মাধ্যমে দেওয়া ঋণের অর্থ শুধুমাত্র ২০২৬
দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য দেন। বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা ও সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত
দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কর বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজস্ব বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের অগ্রাধিকার। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে Chittagong-এর পতেঙ্গা এলাকায় প্রস্তাবিত একটি সরকারি হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে এবং সেই
বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর–কে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—এমন তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয় ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি ঘিরে দেশের আর্থিক খাতে অনিশ্চয়তা ও জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা নতুন গভর্নর নিয়োগ ও তার পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবরে শুনেছি।”
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানির ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ-সহ একাধিক দেশ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সিদ্ধান্তটি নিয়েছে দেশটির সৌদি খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত বার্ড ফ্লুর উচ্চমাত্রার প্রাদুর্ভাব এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়ন করে এই