বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের স্প্রিং মিটিং ঘিরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত হয়েছে—গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন সংবাদকে সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবি করেছে সরকার।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি স্থগিত করার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ওইদিন আইএমএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেয়। সকালে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে।
পরে বিকেলে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্ক-এর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণে ঋণ স্থগিত হয়েছে—এমন সংবাদ ভিত্তিহীন। বৈঠকে এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং বৈঠকগুলো অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
বৈঠকে নবনির্বাচিত সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরা হয়। বিশেষভাবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষ অধিকাংশ বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।