
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৭:৫৪

কুমিল্লায় সাংবাদিক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী চাঁদাবাজির অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার অতিরিক্ত জুডিশিয়াল বিচারিক আদালতের বিচারক ফারহানা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলাটি ২০২০ সালের ২৯ এপ্রিল ‘মুরাদনগরে স্থানীয় সরকার সহায়তা প্রকল্প কাগজে আছে, বাস্তবে নেই’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর শুরু হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হন এবং ২ মে কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন মোঃ মনিরুজ্জামান মুন্সী। মামলায় মিজানুর রহমান নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়, যাকে এ মামলাও খালাস দেওয়া হয়।
শরিফুল আলম চৌধুরীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট সৈয়দ তানভীর আহমেদ ফয়সাল ও এডভোকেট নুরে আলম। গত কয়েক বছর ধরে শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা এবং নারীনির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে। তবে সব মামলায় তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

আদালতের রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন যে, মামলার তদন্তে ত্রুটি এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাব রয়েছে। ফলে শরিফুল আলম এবং অন্য আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

সাংবাদিক শরিফুল আলম চৌধুরীর মা ফরিদা বেগম এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমার ছেলে সাবেক এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এবং তার নেতা-কর্মীদের নানা অনিয়ম ও প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। তারা একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার ছেলেকে হয়রানি করেছে।”
এই রায়ের ফলে সাংবাদিক শরিফুল আলমের ওপর থেকে চাপ কমার আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা মনে করেন, এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি স্বরূপ এবং এটি প্রতিরোধে সকলের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।