
প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪, ১:১১

‘গাছ বাঁচান, বৈশ্বিক উষ্ণতা কমান’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে অ্যাথলেট সাইফুল ইসলাম শান্ত পায়ে হেঁটে শুক্রবার(২২মার্চ) বিশ্বভ্রমণের পথে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২১র্মাচ) দুপুরে দেবীদ্বার উপজলো প্রসেক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি তাঁর বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় দেবীদ্বারে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় অ্যাথলেট সাইফুল ইসলাম শান্ত বলেন, শুক্রবার (২২ র্মাচ) সকাল ১০ টায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকে পায়ে হেঁটে যশোর বেনাপোল সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশের মাধ্যমে বিশ্বভ্রমণের যাত্রা শুরু করবো। ১৯২ টি দেশ পাড়ি দিয়ে বিশ্বভ্রমণের শেষ হবে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে পৌঁছানোর পর। এতে সময় লাগতে পারে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ বছর।
এ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে সর্ম্পকে শান্ত আরো জানান, ‘জলবায়ু বিপর্যয় প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে সচতেনতার র্বাতা পৗেঁছে দেয়াই তার এ বিশ্ব ভ্রমণরে মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশী হাইকার সাইফুল ইসলাম শান্ত কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার পৌরসভার বড়আলমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র।


উল্লেখ্য যে সাইফুল ইসলাম শান্ত ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারী থেকে ২৯ র্মাচ ২০২২ তারিখ পর্যন্ত ৭৫ দিন হেঁটে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা (৩ হাজার কিলোমিটার) ভ্রমণ করেছেন। এর পর পরই তিনি ২০২২ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকা থেকে হেঁটে যাত্রা শুরু করে বেনাপোল সীমান্ত ও কোলকাতা হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ দার্জিলিং এর সর্বোচ্চ উঁচু স্থান সান্দাকফু পর্যন্ত অভিযান করেন। এই ভ্রমণে তিনি ৬৪ দিনে ১ হাজার ৫ শত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন।
জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে মানবজাতি এবং বাংলাদেশ যেহেতু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে রয়েছে, তাই আমাদের দেশকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং সমগোত্রীয় দেশগুলোর ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ‘গাছ বাঁচান, বৈশ্বিক উষ্ণতা কমান’ এ শ্লোগানকে তার বিশ্বভ্রমণের প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেছেন।
ভ্রমণকালে অ্যাথলেট সাইফুল ইসলাম শান্ত বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন কমিউনিটি ও স্কুল-কলেজে পরিবেশ রক্ষায় মা-গাছ নিধন থেকে বিরত থাকা, বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং গাছ সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিবেন। শান্ত‘র পুরো বিশ্বভ্রমণের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও মনিটরিংয়ে থাকবে বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইর্টাস এসোসিয়েশন এবং হাইকার সোসাইটি অব বাংলাদেশ। প্রাথমিকভাবে দেশের বিভিন্ন স্পোর্টস সংগঠন এবং অ্যাথলেটবৃন্দ বিশ্বভ্রমণে তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছে।