প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৪, ২২:৪২
পাথরঘাটায় সিফাত নামক এক যুবককে তুলে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। ঘটনার ৭দিন পরেও জড়িতরা আটক হয়নি। বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন।
এর আগে গত রোববার (৩ মার্চ) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের ঘুটাবাছা এলাকায় একটি মাহফিল থেকে তুলে নিয়ে ওই যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে কাফলা কচা আর প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে নির্যাতন করে অভিযুক্তরা।
বর্তমানে ওই যুবক বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই যুবকের নাম কাউসার আহমেদ সিফাত (২২)। উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের ঘুটাবাছা এলাকার মৃত অব. সেনা সদস্য সুলতান আহমেদ এর ছেলে।
১১ মার্চ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঘুটাবাছা বাজার এলাকায় শতাধিক নারী-পুরুষ মানববন্ধন করে ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি জানান। এ সময় বক্তারা বলেন, গত রোববার রাত নয়টার দিকে কাউসার আহমেদ সিফাতকে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে তুলে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি ও স্টিলের পাইপ দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন চালায় সলেমান গাজী(২৮), সলেমান মোল্লা(২৮) আব্দুর রহমান(৪৫) রহিম মোল্লা, বেল্লাল ও তার পিতা ইউসুফ ও রুবেল মৃধাসহ কয়েকজন। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সলেমান মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তাব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কালমেঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. গোলাম নাসির বলেন, এমন বর্বরোচিত ঘটনায় আমি হতবাক। খবর শোনার পরই থানা পুলিশকে অবগত করে হাসপাতালে ছুটে যাই এবং ওকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠাই। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।