
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৮:৫১

মিয়ানমারে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় রাখাইন রাজ্যে কিছু দিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। যার প্রভাব পড়ছে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর। বিশেষ করে বান্দরবানের ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।
এদিকে প্রায়ই গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে তুমব্রু সীমান্তে। অন্যদিকে মিয়ানমারে থাকা রোহিঙ্গাদের কয়েকজনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। এক পক্ষ বলছে, সেখানে তারা চাপে আছে। অন্য পক্ষ বলছে, ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনী। ফলে অনেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার কথা ভাবছেন। ফলে বাংলাদেশে আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, এক মাস ধরে প্রতিদিন সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ আসছে। গত কয়েক দিন যুদ্ধবিমান আর হেলিকপ্টার থেকে গোলা ছুঁড়তে দেখা গেছে। কিন্তু মিয়ানমার অংশে গুলির শব্দ আর থেমে থেমে মর্টারশেলের বিকট শব্দে প্রকম্পিত হয়ে উঠছে তুমব্রু সীমান্ত। কখনো তাদের মর্টারশেল উড়ে আসছে এ পাড়ে। শুক্রবারও উড়ে আসে মিয়ানমারের একটি গোলাবরুদ। সীমান্তে গা ঘেঁষে টহল দেয় সেদেশের সেনাবাহিনী।
৪০ নম্বর সীমান্ত পিলারের রাবার বাগান শ্রমিক গোলাম মাওলা (৪৫)। তিনি বলেন, গত মাসে বাগানে দুটি মর্টারশেল এসে পড়ে। প্রায় সময় আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দিতে নিচে গুলি বর্ষণ করছিল। মাটি থেকেও ওপরের দিকে গুলি ছোড়া হচ্ছিল। দূরের আকাশে চার-পাঁচটি যুদ্ধবিমান চক্কর দিয়ে হেলিকপ্টারকে পাহারা দিচ্ছিল। হেলিকপ্টার থেকে শত শত গুলি ও মর্টারশেল নিক্ষেপ করা হয়। বিকট শব্দে ওই এলাকায় অবস্থান না করে তুমব্রু বাজারের দিকে পালিয়ে এসেছে শ্রমিকরা। শুনছি মায়ানমারে বাংলাদেশ সীমান্তে পাশে থাকা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
মিয়ানমার অংশে থাকা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। এক রোহিঙ্গা বলেন, তাদের ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না সেনাবাহিনী। তবে চাপ বেশি রাখাইনদের ওপর যারা আরাকান আর্মির সমর্থক। তারা পালাতে চাই।