
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২২, ২১:১৮

বৃহস্পতিবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা ও ক্ষেত্রসহকারী আশিকুররহমানসহ কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
উপ-পরিচালক বলেন, সারাদেশে আরও বেশি জলাশয়কে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের আওতায় আনতে হবে। বাজারে বিক্রি করা মাছের খাবার জনস্বাস্থ্যের ওপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। চাষীদের প্রশিক্ষণ এবং পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে চাষের আওতা ও সুফল ভোগীদের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।
দু ‘দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। ক্ষেত্রসহকারী মো. আশিকুর রহমানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেন। পানি পরীক্ষা ও মাছ ছাড়ার নিয়ম ও ঘনত্ব, পানির গুণাগুণ পরীক্ষার গুরুত্ব, সার ও ওষুধ প্রয়োগ, এদিন প্রদর্শনী পুকুরের পানিও পরীক্ষা করা হয়
মো. সেলিম রেজা জানান, কার্প ও অন্যান্য মাছের পাশাপাশি দেশি মাছের উন্নত চাষপদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এতে বিলুপ্তপ্রায় অনেক প্রজাতি রক্ষা পাবে। তাই এবার কার্প নার্সারি, শিং মাগুর, গুলশা পাবদাসহ দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রদর্শনী পুকুর তৈরি করা হয়েছে।শিগগিরই মাছ সার ওষুধসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহের কথা জানান কর্মকর্তারা।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বার্তা প্রেরক,
মো. সেলিম রেজা
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা, কেরানীগঞ্জ