
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২২, ২১:৭

মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর চাষ বাড়াতে হবে—উপ-পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর।
বুধবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।করোনাকালীন দুর্যোগেও মাছ চাষ ও কৃষিতে কোন বিপর্যয় ঘটেনি, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তর তৎপর ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
উপ-পরিচালক বলেন, সারাদেশে আরও বেশি জলাশয়কে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের আওতায় আনতে হবে। বাজারে বিক্রি করা মাছের খাবার জনস্বাস্থ্যের ওপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। চাষীদের প্রশিক্ষণ এবং পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে চাষের আওতা ও সুফল ভোগীদের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

দু ‘দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। ক্ষেত্রসহকারী মো. আশিকুর রহমানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেন।
মো. সেলিম রেজা জানান, পুরো উপজেলায় চাষীরা বিনামূল্যে সার্বক্ষণিক পরামর্শ পেতে পারেন তাদের মাধ্যমে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরিদর্শনসহ নানা কার্যক্রমে খামারি ও ক্ষুদ্র চাষীদের অংশগ্রহণ দিনদিন বাড়ছে। গত কয়েক বছরে, মাছ উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ পর্বে কার্প নার্সারি, শিং মাগুর, গুলশা পাবদাসহ দেশীয় প্রজাতির মাছের উন্নত চাষ পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সুষম খাদ্য, ওষুধ ও ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের প্রতি গুরুত্ব দেন প্রশিক্ষকরা।স্থানীয় অংশগ্রহণকারীরা সুস্থ পোনা সরবরাহ ও খাবারের মূল্য কমাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।