
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২২, ৫:৫১

আসন্ন মাহে রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যর বাজার সহনীয় রাখতে সারাদেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা-উপজেলাসহ ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারের দেওয়া ভুর্তকির মাধ্যমে টিসিবি'র পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সবগুলো ইউনিয়নের মতো কাজিপুর ইউনিয়নে টিসিবি'র পণ্য বিক্রয় হচ্ছে।
ইউনিয়নের নওদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আজ (২৩-শে মার্চ) বুধবার টিসিবি'র পণ্য বিক্রয়কালে ওজনে কম দেওয়া কারসাজির অভিযোগ উঠে। টিসিবি'র পণ্য নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা পণ্য কেনার পর ওজন দিলে ডাউল ২ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও ৪'শ গ্রাম কম এবং চিনি ২ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও ৩'শ গ্রাম করে কম হয়। শুধুমাত্র সয়াবিন তেল বোতলজাত হওয়ায় সেটি পরিপূর্ণ মাপে পায় ক্রেতারা।
টিসিবি'র পণ্য ক্রয় করতে আসা সাধারন মানুষ প্রতিবাদ করলে টিসিবি'র পণ্য বিক্রেতা ডিলার হাজী ইছার উদ্দিনের ছেলে বিদ্যুৎ পণ্য বিক্রি বন্ধ করে দেয়। পণ্য ক্রয় করতে আসা সাধারণ মানুষের সাথে বিদ্যুৎয়ের বিরুদ্ধে উশৃংখল আচারণের অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীরা পণ্য বিক্রয় স্থানে উপস্থিত হলে পুনরায় সঠিক মাপে টিসিবি'র পণ্য বিক্রয় শুরু হয়।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
টিসিবি'র পণ্য ওজনে কম দেওয়ার বিরুদ্ধে ১ম প্রতিবাদকারী নওদাপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম জানান, 'আমি পণ্য ক্রয় করার পর ওজন করে ২ কেজিতে ২'শ-৩'শ গ্রাম করে কম পায়। আমি গিয়ে প্রতিবাদ করি কারণ ন্যায্য টাকায় মাল কিনছি ন্যায্য ওজন দেওয়া লাগবে।'

পণ্য ক্রয় করতে আসা সাহেবনগর গ্রামের আম্বিয়া খাতুন জানান, 'সকালে এসেছি এখনো পণ্য পাইনি। ওজনে কম দেওয়ার জন্য ক্রয়-বিক্রয় অনেকক্ষণ বন্ধ ছিলো। 'ওজনে কম পাওয়া আরেকজন ক্রেতা বেতবাড়ীয়া গ্রামের জাহিদ হোসেন জানান, 'তেল বাদে অন্যান্য পণ্যগুলো কম দেওয়া হচ্ছিল, নওদাপাড়া গ্রামের একটা ছেলে প্রতিবাদ করলে ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ ছিলো।
বিষয়টি নিয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম বলেন, 'টিসিবি'র পণ্য জেলা প্রশাসক মহোদয়ের গোডাউন থেকে প্রস্তুত করে ডিলারদের কাছে পাঠানো হয়। কম-বেশি থাকতে পারে কিন্তু ডিলারদেরকে অবশ্যই পণ্য বিক্রয়ের সময় স্কেল (মাপ যন্ত্র) রাখতে হবে। কোন ক্রেতা যদি ওজন কম হওয়ার অভিযোগ করেন তবে অবশ্যই ডিলার সেই পণ্য ফেরত নিয়ে সঠিক মাপে পণ্য দিতে বাধ্য। '