
প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২২, ১৯:৫৩

কমিউনিটি পুলিশিং সভায় মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী এবং সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের তালিকা করে তা পুলিশকে অবহিত করার পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে উদ্যোগ করতে হবে। যাতে সমাজে যে কোন বিশৃংখলা সৃষ্টির পূর্বেই তা দমন করা যায়। আজ শনিবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানাধীন ১নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে একথা বলেন ডিসি (উত্তর) জাকির হোসেন মজুমদার।
এ সময় তিনি আরও বলেন, মাদকের ভয়াবহতা রোধে মাদক বিরোধী র্যালী করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া সামাজিক সমস্যা সমাধানে কমিউনিটি পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে নিঃস্বার্থভাবে পক্ষপাতহীন কাজ করতে হবে।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১,২,৩ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর মিনু রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহমান মুকুল (পিপিএম), বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্য তমাল মালাকার, ১নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল বাশার সুমন, ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মেনন, ১নং ওয়ার্ডের বিট অফিসার এসআই সবুজ পাল, ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং এর উপদেষ্টা সাংবাদিক এম.কে. রানা, এএসআই তসলিম ফুয়াদসহ কমিউনিটি পুলিশের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ।

সভায় অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহমান মুকুল তার বক্তব্যের শুরুতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও ৭১এ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি তার বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে পুলিশের সাথে থেকে পুলিশের কাজে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়ে বলেন, সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাধারণ মানুষের শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেকটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে।
উপস্থিতিদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কাউনিয়া থানা হবে দালালমুক্ত। দালালদের কোন স্থান থানায় হবে না। থানা হবে ভাল মানুষের যাতায়াতের স্থান। এ সময় তিনি বলেন, নামে মাত্র কমিউনিটি পুলিশের সদস্য হলে চলবে না। সমাজের বিশৃঙ্খলা দূর এবং মাদক নির্মূলে কমিউনিটি পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে আরো সক্রিয় ভুমিকা রাখতে হবে। যদি কোন অন্যায় সুপারিশ করার জন্য কেউ থানায় যান তাহলে তার নাম তালিকাভুক্ত করা হবে। যে সকল সাধারণ মানুষের যাওয়ার কোন জায়গা নেই তাদের জন্য থানা হবে ভরসাস্থল উল্লেখ করে তিনি সেই সকল মানুষকে থানায় আসার আহবান জানান।