
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৭:১০

নওগাঁর মান্দা উপজেলার প্রাসাদপুর দুটি তুলার কারখানায় অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন লাগে। মান্দা ও নওগাঁর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আগুনে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কারখানা দু’টি মালিক । কারখানাটি স্থানীয় প্রসাদপুর এলাকার ইনডেক্স কলেজ এর পেছনে অবস্থিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তুলার কারখানায় এ অগ্নিকা-ের সূত্রপাত হয়। পরে মান্দা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।কারখানা দু’টির মালিক উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামের সৌদি প্রবাসী আয়নাল হক এর স্ত্রী মোর্শেদা খাতুন এবং বড়পই গ্রামের মোবারক হোসেন এর স্ত্রী নুরুন্নাহার বিবি জানান, রাত ১০ টার দিকে আমরা নিজ বাড়িতে খাবার খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।
এর পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনকে সংবাদ দেন। ততক্ষণে কারখানার সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের কারখানায় তুলা থেকে লেপ,কাঁথা, বালিশ ও তোষক তৈরি করা হয়। সারাদিন কাজ শেষে সন্ধ্যার সময় বন্ধ থাকে। কারখানায় বিদ্যুতের সংযোগ ছিল। তবে কিভাবে আগুন লেগেছে তা বলতে পারছিনা। দু’টি কারখানা মিলে আমাদের প্রায় ২০লাখ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন লিডার শফিউর রহমান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে প্রায় ১ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। তবে আগুনে দুটি কারখানা সব মালামাল পুড়ে গেছে। কি কারনে আগুন লাগলো আর কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা তদন্তের পর জানা যাবে। তবে কারখানা দুটির মালিকরা দাবি করছেন প্রায় ২০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) শাহিনুর রহমান তুলার কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, দুটি তুলার কারাখানায় আগুন লাগার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। যদি কারখানার মালিকরা থানায় অভিযোগ করে তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।