
প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১:১৪

ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নির্বাচনী মাঠ। সপ্তম ধাপের নির্বাচনের আগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার গাড়িতে হামলায় আহত হয়েছেন ১২ জন। সহিংসতা থামাতে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ ছাড়া চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্বতন্ত্র এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
আগামী সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচন হবে। তার আগে ভোটের প্রচার কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চর হাসান ভূঁইয়ারহাট বাজারে প্রচারণা চালান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুক ও নৌকার প্রার্থী তরিকুল ইসলাম। এ সময় সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় ২০টি মোটরসাইকেল। সহিংসতা থামাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এদিকে, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম চৌধুরীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে ১০-১৫ জনের একটি দল তার বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরে তারা ঘরের বাইরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সেলিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হওয়ায় আমার বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আমি এ হামলার বিচার চাই।’
হামলার ঘটনায় নৌকার প্রার্থী জসিম উদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ জনের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় মামলা করেছেন স্বতন্ত্র এই প্রার্থী।
আগামী ৭ ফ্রেরুয়ারি সোমবার সপ্তম ধাপে দেশের ১৩৮টি ইউনিয়নে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।