
প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ২১:৯

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রাতের আঁধারে একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদের মেঝে, বারান্দা ও দরজায় মানুষের মল রেখে দিয়ে মুসল্লীদের নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে।জানাগেছে, উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের বেলদহ মুন্সীপাড়া গ্রামের জনৈক আবু বক্কর ছিদ্দিকের দানকৃত জমিতে ২০১৯ সালে বেলদহ মুন্সীপাড়া মসজিদ নির্মিত হয়। মসজিদটিতে জুম্মার নামাজ ব্যতীত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন ওই এলাকার মুসল্লীরা। মসজিদটিতে সকাল বেলা শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেয়া হয়।
মসজিদে মল রাখার ঘটনাগুলো মুসল্লীদের পক্ষ থেকে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে অবহিত করা হয়েছে। মসজিদে বারবার মানুষের মল রাখার ঘটনা মুসল্লীদের মধ্যে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মুসল্লীদের ধারণা, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে কেউ এই নোংরা কাজ করে নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
মসজিদ কমিটির সদস্য আতাউর রহমান (অবঃ সেনা সদস্য) জানান, ‘প্রায় মাস খানেক আগে প্রথমবার রাতের আঁধারে কে বা কারা মসজিদে মানুষের মল রেখে মুসল্লীদের নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এরপর আরো ৩ বার মসজিদে মল রেখে নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। সর্বশেষ গত শনিবার ভোররাতে কে বা কারা আবারো মসজিদের দরজায় মানুষের মল মাখিয়ে রেখে যায়।’

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হারুন-অর-রশীদ জানান, ‘প্রত্যক্ষদর্শীর অভাবে মল রাখার বিচার করা সম্ভব হয়নি। আগামী শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে মসজিদে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ভূরুঙ্গামারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজাহার আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’