
প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২২, ০:৮

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ব্ল্যাকমেইল করে ধষর্ণের অভিযোগে ধর্ষককে আটক করেছে র্যাব।সোমবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার পাকুল্লা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছিতেশ^রী গ্রামের মোঃ মইনুল হকের ছেলে অভিযুক্ত ধর্ষক মোঃ লুৎফুর রহমানকে (৪০) আটক করেছে। এ সময় তার কাছ থেকে ০১টি মোটর সাইকেল, ১টি মোবাইল ১টি ল্যাপটপ ও নগদ ৪৮৬০টাকা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে সোমবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার পাকুল্লা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছিতেশ^রী গ্রামের মোঃ মইনুল হকের ছেলে অভিযুক্ত ধর্ষক মোঃ লুৎফুর রহমানকে (৪০) আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান,ধর্ষক মোঃ লুৎফুর রহমান একটি প্রাইভেট ঔষুধ কোম্পানীতে চাকুরী করে। চাকুরীর সুবাদে সে ভিকটিম মহিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে ভিকটিমকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে এবং গোপনে ভিডিও ও ছবি তুলে রাখে।
পরবর্তীতে ধর্ষক লৎফুর, ভিকটিমকে ব্ল্যাকমেইল করে ভিডিও ও ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ধর্ষণ করে এবং বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের ভাষ্যমতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণলংকার হাতিয়ে নেয়। ধর্ষক সর্বদা ভিকটিমকে ভয় দেখিয়ে এবং তার সাথে দেখা করার জন্য বলত এবং তার গোপনে ধারনকৃত ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি প্রদান করত। ভিকটিম নিরুপায় হয়ে টাঙ্গাইল র্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এবং র্যাব ঘটনার সত্যতা পায়।এর প্রেক্ষিতে র্যাবের আভিযানিক দল গতকাল সন্ধ্যায় ধর্ষক লুৎফর কে মির্জাপুরের পাকুল্লা হতে আটক করে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি


ধর্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মির্জাপুর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। ধর্ষকের মোবাইল হতে ধারনকৃত ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।