
প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২২, ৪:৪৪

পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁ জেলার তিন উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহন হয়েছে। এরমধ্যে সাপাহার ও পোরশা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া গেছে। যেখানে নৌকা প্রতীকে ১১ এবং স্বতন্ত্র পদে এক জন সতন্ত্র ( বিদ্রোহী ) প্রার্থী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তবে পত্নীতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটি ইউনিয়নে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় ৪ইউপির ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে। ৭টি ইউপির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার রাত ১২টার দিকে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, পোরশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তোজাম্মেল হক এবং পতœীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বেসরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
সাপাহার উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে নৌকা প্রতিকে পাঁচজন ও স্বতন্ত্র ( বিদোহী ) একজন বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন, সাপাহার সদরে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাদেকুল ইসলাম, গোয়ালা ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনিয়নে কামরুজ্জামান, তিলনা ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দীন, পাতাড়ী ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এবং শিরন্টি ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ -সভাপতি বোরহান উদ্দীন।
স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থী হলেন, আইহাই ইউনিয়নে বহিষ্কৃত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়ারুজ্জামান টিটু।
পোরশা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

বিজয়ীরা হলেন, নিতপুর ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক শাহ্ চৌধুরী, ছাওড় ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক আনিসুর রহমান, ঘাটনগর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বজলুর রহমান, এবং মশিদপুরে ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনিয়নে হারুন অর রশিদ।
অপরদিকে, পতœীতলা উপজেলার নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন, মাটিন্দর ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ ও নির্মইল ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থী হলেন- পাটিচড়া ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ছবেদুল ইসলাম রনি (বিদ্রোহী), আমাইড় ইউনিয়নে, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য শহীদুল ইসলাম, শিহাড়া ইউনিয়নে, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য তোফাজ্জল হোসেন, নজিপুর ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমান মিন্টু (বিদ্রোহী) এবং দিবর ইউনিয়নে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রাহাদ জামান (বিদ্রোহী)। নিবাচনী সহিংসতার কারনে স্থগিত রয়েছে- ঘোষনগর, কৃষ্ণপুর, পত্নীতলা ও আকবরপুর ইউনিয়ন এর ফলাফল।
নওগাঁ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি উপজেলার ২৩ টি ইউনিয়নের মোট ২২০ টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২০৩ কক্ষে মোট ৪ লাখ ৩ হাজার ৮৩৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যেখানে চেয়ারম্যান পদে ৯৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ২৮৭ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৭৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।