
প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৭:১৯

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে। গতকাল ২৮শে নভেম্বর সকাল থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। কিন্তু ফলাফল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকরা।৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ১টি ইউনিয়নে (ধানখোলা) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচীত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। বাকী ৩ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়ে ভোটের মাঠে।
রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম সাকলায়েন ছেপু, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার পাশা, কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলম হুসাইন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে-পরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জুগিন্দা ভোট কেন্দ্রে দুই মেম্বার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে পরাজিত হয়ে পিজাইডিং, পুলিং, পুলিশ, সাংবাদিকসহ নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করা সকলকে ভোট কেন্দ্রে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ করে রাখেন বেতবাড়িয়া ০৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী আলিহিম। পরে ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েন পুলিশ এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনাস্থলে বিজিব গ্রেফতার করে পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী আলিহিমকে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, ভোট কার্যক্রম শেষে বেতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বশীলদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে এবং অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়। জড়িতদের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।