
প্রকাশ: ৯ নভেম্বর ২০২১, ১৬:৯

হাতে গোনা মাত্র কয়েক দিন বাদেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। দেশব্যাপী ১ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর ২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেহেরপুরের গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় যথাক্রমে ৫ ও ৪ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ হবে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে চারিদিকে শুধু নির্বাচনের আনাগোনা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে নানান আলোচনা।
গাংনী এবং মুজিবনগরের ৯ টি ইউনিয়নেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে সতন্ত্র প্রার্থীরা। সতন্ত্র প্রার্থীদের অধিকাংশ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত। মনোনয়ন না পাওয়া দলের বিরুদ্ধ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাড়িয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ থেকে তাদের বহিষ্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জেলা/উপজেলা আওয়ামী লীগের কাছে তবুও কার্যকারী কোন ভূমিকা কিংবা বহিষ্কারের ঘটনা এখনো অজানা।
তবে, গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্বাচনী কর্মী সভায় নৌকার বিরুদ্ধে আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা বিশ্বাসকে মৌখিক বহিষ্কার ঘোষণা করা হয়। গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৭৪/০২ গাংনী আসনের সাংসদ সাহিদুজ্জামান খোকনের মৌখিক বহিষ্কার ঘোষণার পর তা দলীয় কাগজ-কলমে দেখা যায়নি।
নির্বাচনে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সতন্ত্র প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে বিএনপির সমর্থকরা। দলীয় প্রতীক ধানের শীষ না থাকায় সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। প্রথম দিকে প্রচার-প্রচারণায় তেমন একটা দেখা না গেলেও শেষ মুহূর্তে সক্রিয় ভাবে মাঠে তারা।তবে, প্রথম থেকেই নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় ভাবে প্রচার-প্রচারণা এবং ভোটারদের সাথে সম্পৃক্ততা রেখে চলছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে মেহেরপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীরা জনগণের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হবে। নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টা বলেন, আমরা দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের মাঠে নেই। কারণ বর্তমান সরকার গনতন্ত্রকে হত্যা করে নির্বাচন ব্যাবস্হাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তবে আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা অনেকে সতন্ত্র প্রার্থী এবং তারা সকলেই জনপ্রিয় নিজ এলাকায়। জনগণ ভোট দিতে পারলে অবশ্যই তারা বিজয় লাভ করবে।গাংনী এবং মুজিবনগর দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও সতন্ত্র প্রার্থীদের পাশাপাশি জাতীয় পার্টি (জাপার) লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা নির্বাচনে লড়ছেন।