
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২১, ১৬:৩৫

দেশের দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১-ই নভেম্বর। পাঁচটি ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণায় মাঠে আছে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সতন্ত্র প্রার্থীদের অধিকাংশ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত। দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েও নৌকা প্রতীক না পাওয়ায় নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিদ্রোহী হয়ে দাড়িয়েছেন অনেকে।
নির্বাচনের মাঠে বিএনপির সমর্থকরা তাদের দলীয় প্রতীকে না থাকলেও সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। প্রচার-প্রচারণায় তেমন একটা না দেখা গেলেও কাগজে-কলমে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে বিএনপি সমর্থকরা।
গাংনীর তেঁতুলবাড়িয়া এবং সাহারবাটি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর অস্থায়ী অফিসে হামলা ও অগ্নি-সংযোগের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের তীর সতন্ত্র প্রার্থীদের দিকে। মটমুড়া ইউনিয়নে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল আহমেদ সহ একাধিক ব্যাক্তির নামে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ করে মামলা করেন নৌকার প্রার্থী আবুল হাশেম বিশ্বাস।
সতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নানান ষড়যন্ত্র করছে নৌকার প্রার্থীরা এমন মন্তব্য করেন মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী সোহেল আহমেদ।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ১১ নভেম্বরের নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হলে জনগণ তাদের ভোট দিয়ে অবশ্যই আমাকে বিজয়ী করবে। শুধু সুষ্ঠ নির্বাচন প্রয়োজন।
কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার জানান, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিন্তু জনগণের চাপে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। জনগণকে যদি তাদের ভোট দিতে দেওয়া হয় তবে অবশ্যই আমি বিজয়ী হবো।