
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:১২

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৪নং ফেরিঘাট এলাকায় সোমবার সকাল থেকেই ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। এতে মসজিদসহ কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে চলে যায়। তাছাড়া হুমকিতে রয়েছে ফেরিঘাট নানা স্থাপনা।সোমবার দুপুর থেকেই ভাঙন রোধে ৪নং ফেরিঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ জিও ব্যাগ ফেলছে।স্থানীয়রা বলেন, আজকের এই ভাঙ্গনের পিছনে দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিআইডব্লিউটিএ। ভাঙন রোধে আগে আগে থেকেই কোন পদক্ষেপ নেয় নি কোন কতৃপক্ষ। এখন এখানে ভাঙ্গতে শুরু করেছে আর তারা শুরু করেছে তোড়জোড়। যাদের নদীগর্ভে ঘরবাড়ী চলে তারাই বুঝে কতটা যন্ত্রনা।
স্হানীয় ইউপি সদস্য মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ভাঙনে সিদ্দিক কাজীর পাড়ার ৫ টি পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। তাছাড়া ৪নং ফেরিঘাটে একমাত্র মসজিদটিও নদীগর্ভে চলে গেছে। হুমকিতে রয়েছে ফেরিঘাট ও নানান স্থাপনা। আমি উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের ভাঙন রোধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। এদিকে মঙ্গলবার (৩১ আগষ্ট) সকাল ১১ টার দিকে দৌলতদিয়া ভাঙ্গন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেনন বিআইডব্লিউটিএ'র প্রধান প্রকৌশলী মো. মুহিদুল ইসলাম।
প্রদর্শন কালে তিনি বলেন, এখানে একটি চ্যানেল ছিল যেটি ভেঙ্গে গিয়েছে। সেটা ভাঙ্গার কারনেই এখন ঘাটগুলো সামনে চলে এসেছে। তবে নদীতে তীব্র স্রোতের কারন সহ পানির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়েও ভাঙনের চরম ঝুকি থাকে। তাছাড়া ভাঙন শুরু আগে থেকেই আমরা প্রস্তুুতি নিয়ে থাকি। তিনি আরো বলেন, এই ফেরি ঘাটের এরিয়া প্রায় ৩ কিঃমিঃ। এখানে কাজ করতে হলে যে বড় বাজেটের প্রয়োজন হয় সেখানেও আমাদের সীমাবদ্ধ আছে। দৌলতদিয়া ঘাটটিকে স্থায়ীকরণের জন্য ইতিমধ্যেই প্রোজেক্ট পাস হয়েছে।খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান এ কর্মকর্তা।

মোবাঃ ০১৭২১৭৮৪২৯১
তাংঃ ৩১/০৭/২০২১ইং
4 Attachments