
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২১, ৩:৩৩

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে না নেওয়ায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক কিশোরী(১৪) ও তাঁর মা জেসমিন আক্তার(৩৫), পিতা অটোরিক্সা চালক জামাল হোসেন(৪৫)কে টানা হেচড়া করে ঘর থেকে ধরে এনে সড়কে ফেলে প্রকাশ্যে দিবালোকে লাঠিপিটা করে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলাসহ উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এস,আই) ওমর ফারুককে জেলা পুলিশ লাইনে বদলী করা হয়েছে।
তবে কি কারনে তার এ তাৎক্ষনিক বদলীর আদেশ দেয়া হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরিফুর রহমান বলেন, শ্লীতাহানীর চেষ্টা মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই ওমর ফারুককে ষ্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়নি, এটা স্বাভাবিক বদলি। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিক্টিমের মা’ জেসমিন আক্তার’র ঘূষ দাবীর একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত ২০ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে মোঃ হাসানের বড় ভাই কাউছার আহম্মেদসহ অন্যান্য আসামিরা, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর মাকে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করেন। এ সময় কাউছারকে স্থানীয় কয়েকজন থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ ঘটনার ধারণ করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৬আগস্ট) রাতে দেবীদ্বার উপজেলার কুরছাপ গ্রামের একই পরিবারের ৮ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ নুরুল ইসলাম’র পুত্র মোঃ কাউছার (৩৫) ও মোঃ হাসান(২৫), মৃত; আলী হোসেন’র পুত্র মোঃ নুরুল ইসলাম (৬৫), মোঃ কামাল (৫৫) ও মোঃ সফিকুর রহমান (৬০), মোঃ কাউছারের স্ত্রী মোসাঃ নারগিছ (৩০), মোঃ হাসান’র স্ত্রী মোসাঃ আনিকা (২৫), মোঃ কামাল হোসেন’র স্ত্রী মোসাঃ কুলছুম (৪০)। মামলা নং-১৯. তারিখ-২৬/০৮/২০২১ইং।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ওই ঘটনায় আহত নারী জেসমিন আক্তার তার মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গত ০৯/০৬/২১ইং তারিখে দেবী/১২ নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলার তদন্তকর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামী গ্রেফতারে তালবাহানা এবং ঘুষ দাবীর অভিযোগ করেন।
গত শুক্রবার জেলার বিভিন্ন জায়গায় র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে এ ঘটনার মূল আসামী কাউছার ও হাসানকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।