প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২১, ২:৫২
কঠোর লকডাউনের মধ্যেই সরাইলের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে মানুষ উদাসীন। কঠোর লকডাউনের পহেলা (১ আগষ্ট )দিনে কঠোর লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা, মাহেন্দ্র ও মিশুক চলাচল করতে দেখা গেছে।
যাত্রীদের ভাড়াও গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত। এমন অভিযোগ অনেকে প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হচ্ছে তারা বলছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশে ঈদুল আজহার পর নতুন করে জারি করা কঠোর বিধি নিষেধের দশম দিনে রোববার সরাইলেও অতিবাহিত হয়েছে।
তবে দিন যতই গড়াচ্ছে, মানুষও রাস্তায় বের হচ্ছে। রোববার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার প্রধান বাজার রাস্তায়,সরাইল কুট্রা পাড়ার মোড় ও ঢাকা সিলেট বিশ্বরোড় মোড়সহ সরাইল- নাসির নগর লাখাই
সড়কে এইসব যানবহন চলাচল করতে দেখা যায়।
বিশ্বরোড় থেকে এইসব ছোট ছোট যানবহন যাত্রী নিয়ে এসে কালিকচ্ছ, সরাইল সদর, চুন্টা, পাকশিমুল ব্রীজের নামিয়ে দিচ্ছে।
সেখান থেকে পায়ে হেঁটে সেতু পার হয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে আবার ওইসব যানবহনে গন্তব্যে পৌঁছেছে। একই অবস্থা দেখা গেছে সরাইল অন্নদার মোড়েও।
সদর উপজেলার, বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই অবস্থা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজনের চলাচলও কমে যায়।
এদিকে প্রতিদিনের মতো রোববার উপজেলা জুড়ে জনসচেতনতামূলক অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পুলিশ,ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের জরিমানাও করা হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারিও লক্ষ্য করা গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, সরাইলের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ৯টি মামলায় ২হাজার ৯ শত ৫০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
পাশাপাশি জনসাধারণকে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করা হয়।অন্যদিকে বিধিনিষেধের দশমদিনে সরাইল উপজেলায় ৯ মামলায় ২ হাজার ৯শত ৫০ টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল হক মৃদুল।
রোববার কুট্রাপাড়া মোড়, উচালিয়াপাড়া মোড় মার্কেটসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সরাইল থানার পুলিশসহ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অভিযান পরিচালনা করেন।