প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২১, ৩:৫৭
মাদ্রাসার বারান্দায় দেয়া কোরবানির বর্জ্য সরিয়ে নিতে বলায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় মাদ্রাসায় কক্ষে আত্মগোপণ করে রক্ষা পায় দুই শিক্ষক। খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষকদের উদ্ধার করেন।
আজ শুক্রবার সকালে বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি কুরআন সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসায় ওই ঘটনা ঘটে। এব্যপারে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বাউফল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী কূরআন সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার বারান্দায় পশু কোরবানি করে পশুর রক্ত, চামরা ও বর্জ্য পরিস্কার না করে বারান্দায় ফেলে রাখে। কোরবানির পর ৯ দিন অতিবাহিত হলেও ওই প্রভাবশালীরা মাদ্রাসার বারান্দা থেকে বর্জ্য পরিস্কার করেনি।
ফলে পচাঁ র্দুগন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পরে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছিল। আজ শুক্রবার মাদ্রসার সুপার মো. আবু ইউসুফ এবং সহকারি সুপার আবু হানিফ স্থানীয় মো. মুজাহিদ ইসলামকে মুঠোফোনে বর্জ্য অপসরণের জন্য বলেন।
এতে মুজাহিদ ক্ষিপ্ত হয়ে তিনিসহ বশার ও মালেকের নেতৃত্বে প্রায় ১০-১২ জনের এবটি সংঘবন্ধ দল লাঠিসোটা নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায়। এসময় মাদ্রাসার সুপার এবং সহকারি সুপার মাদ্রাসায় অবস্থান করিেছলেন। হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে তারা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঢুকে আত্মগোপণ করেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান নেছার উদ্দিন সিকদার জামাল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষকদের উদ্ধার করেন।
মাদ্রাসার সুপার মো. আবু ইউসুফ বলেন, পশুর বর্জ্যরে কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার বর্জ্য পরিস্কার করার জন্য বলেছি। কিন্তু মুজাহিদ ও অন্যান্যরা বর্জ্য পরিস্কার করেনি।
আজ শুক্রবার সকালে মোবাইল ফোনে মুজাহিদকে বর্জ্য পরিস্কার করতে তাগিদ দিলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং পরে তার দলবল নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায়। এ বিষয়ে মুজাহিদুল ইসলাম জানান, হামলার কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন জানান,অভিযোগ পেয়েছি,প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।