প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২১, ২৩:৫৭
করোনা সংক্রমন বাড়তে থাকার প্রভাব পড়ছে কোরবানীর পশুর হাটেও। আগামী ২১ জুলাই উদযাপিত হবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। প্রবীণদের কথা অনুযায়ী উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সব চেয়ে বড় কোরবানীর পশুর হাট ঐতিহ্যবাহী ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের স্থানীয় শিয়ালকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পোনা নদীর তীরে।
এ হাটে কয়েক যুগ থেকে এ উপজেলা ছাড়াও পার্শবর্তী জেলা, উপজেলা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা আসেন দেশি বিদেশি গরু, ছাগল ক্রয়-বিক্রয় করতে। ভান্ডারিয়ায় সপ্তাহে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার হাট পশুর হাটও বসে।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে করোনা শুরুর পূর্বে এ হাটে কোরবানীর পশুর হাটে এই দিনে স্থানীয় পাইকার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় দের কিলোমিটার এ হাটে কয়েক হাজার গরু, ছাগল বিক্রির জন্য নিয়ে আসত। সেখানে শনিবার মাত্র শতাধিক স্থানীয় জাতের গরু দেখা গেছে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে আসা স্বল্পসংখ্যক কিছু ক্রেতা-বিক্রেতা জানান, বর্তমান সময়ে মহামারী করোনা সংক্রামন উচ্চ হাড়ে বাড়ার ফলে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর বিধি নিষেধ অর্থাৎ লকডাউন চলছে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থানীয় সরকারের নির্দেশ মোতাবেক তারা হাটে এসেছেন। বাজারে খাজনা না থাকলেও স্থানীয়দের সমন্বিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক হাট সংলগ্ন স্কুলটির উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের জন্য গরু প্রতি ৫০/৬০টাকা নাম মাত্র নেয়া হয়।
শিয়ালকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টাণ ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি কিরন চন্দ্র বসু জানান, বাজারের সরকারি খাজনার টাকা সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করায় পূর্বের চেয়ে বাজারে ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেড়েছে। তেমনি ক্রেতার সংখ্যাও অন্যান্য উপজেলার চেয়ে বহুগুন বেড়েছে।
কোরবানীর পশুর হাটের বিষয়ে বলেন, এ বছর করোনার কারনে অন্য সব বছরের চেয়ে অনেক কম বেচা কেনা হবে। এদিকে হাটে পশুর রোগ শনাক্তের জন্য মেডিক্যাল সদস্য, জাল টাকা শনাক্ত এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।