
প্রকাশ: ৮ জুলাই ২০২১, ২৩:৬

আমেরিকা প্রবাসী ডাঃ ফেরদৌস খন্দকারের উদ্যোগে ‘শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন’ ইউএসএ শাখার তত্বাবধানে কুমিল্লা ও দেবীদ্বারের করোনা রোগীদের জন্য ২৪ ঘন্টা স্বাস্থ্যসেবায় “পাশে আছি কোভিড-১৯ সেবা” চালু করা হয়েছে।গত এক জুলাই থেকে একদল তরুণ চিকিৎসক ও একদল সেচ্ছাসেবী এ্যাম্বুলেন্স, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ, মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজার, পিপিই, খাদ্য, মৌসুমী ফল ফলাদীসহ রাতদিন ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে করোনা রোগীদের সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
উপজেলার দূর্গম এলাকাসহ যেখানেই করোনায় আক্রান্ত রোগীদের খোঁজ পাচ্ছেন সেখানেই সেবা দিচ্ছেন। করোনা রোগীদের উপজেলা সদরে আনার-নেয়ার প্রয়োজনে সার্বক্ষনিক দায়িেেত্ব রয়েছে এ্যাম্বুলেন্সসেবা। এছাড়াও জরুরী প্রয়োজনে নন কোভিড রোগীরাও এসেবা কার্যক্রমের সহযোগীতা পাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় “পাশে আছি কোভিড-১৯ সেবা” টিম সদস্য ও দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডাঃ মোঃ সোহেল রানা জেলা সিভিল সার্জন অফিসের বরাদ দিয়ে বলেন, গত ১ জুলাই থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে ৫৭ জন, এদের মধ্যে বুধবার দিবাগত রাতে কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ারা বেগম(৮৫) নামে একজন মারা গেছেন। বাকীদের কুমেক, দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হোম কোয়ারেইন্টেনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

সেচ্ছাসেবী সংগঠকরা প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সেরসাথে যোগাযোগ রক্ষাকরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যানুসারে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সাথে সেল ফোনে যোগাযোগ ও খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এ ছাড়াও একটি চিকিৎসক টিম ২৪ ঘন্টা মাঠে কাজ করছেন।

ওই সেচ্ছাসেবক টিম উপজেলা সদরে দায়িত্বরত ৫ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি চিকিৎসক টিমের সাথে রাগীদের কোআপারেট করে দিচ্ছেন। চিকিৎসকদল সেল ফোনের মাধ্যমে রোগীদের আরোগ্যলাভে পরামর্শ¦ ও ব্যাবস্থা পত্র দিয়ে আসছেন। সেচ্ছা সেবক টিম প্রতিদিন করোনা রোগীদের বাড়িতে যেয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর মৌসমী ফলফলাদী ও ঔষধ, অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে আসছেন।
এব্যাপারে আমেরিকা প্রবাসী ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার সেল ফোনে জানান, বাংলাদেশের জনগন চলমান করোনা সংক্রামণ ভাইরাসের কারনে এক কঠিন সময় পার করছেন। বিভিন্ন সময়ে আমার সাধ্যমতো বাংলাদেশের জনগনের পাশে থাকার সহযোগীতাদানে চেষ্টা করেছি।
তিনি আরো বলেন, জাতির এ কঠিন সময়ে কুমিল্লা জেলা ও দেবীদ্বারসহ দেশবাসীর পাশে দাড়াতে পেরে আমি ব্যক্তিগতভাবে আনন্দিত। আশা করছি এই সেবা টুকু মানুষের কাজে লাগবে। বর্তমানে কুমিল্লা ও দেবীদ্বারে এসেবাটি চালু করা হয়েছে। পরবর্তীতে তা বিভিন্ন জেলায় সম্প্রসারিত করা হবে। আমার এ কার্যক্রম কোন রাজনৈতিক অভিলাসে নয়, সবই মানব সেবায় করে যাচ্ছি।