
প্রকাশ: ৭ জুলাই ২০২১, ২১:৩৯

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে আলাদা দুটি ধষর্ণ মামলায় চাচা ও ফুফাকে আটক করেছে কালকিনি ও ডাসার থানা পুলিশ।গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ডাসার ও কালকিনি থানায় মামলা হলে রাতেই তাদের পলাতক অবস্থায় আলাদা আলাদা স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের কোটের্র মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানাযায়, কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের দিলিপ তালুকদারের লম্পট ছেলে দিপক তালুকদার(২৫) ৬জুলাই সোমবার সকালে মেয়ের বাবা ও মা ঘরে না থাকায় একা পেয়ে মুখ চেঁপে জোড় করে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে মেয়ের মা বাড়িতে আসলে ধর্ষনের বিষয়টি খুলে বলেন।
মেয়ে বাবাও মা নবগ্রাম এলাকার যুবসমাজ নামের এক সংগঠনের কাছে বিচার দেন। যুব সমাজ সংগঠনের ডাকে সারা দেননি ধর্ষক পরিবার। পরে উক্ত সংগঠন ভুক্তভোগী পরিবারকে ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য থানায় পাঠান।পরে মেয়ের বাবা ডাসার থানায় বাদি হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষক দিপককে গ্রেফতার করেন।
অপর দিকে চট্রগ্রাম জেলার বাশখালি থানার গুনাগাড়ি গ্রামের মৃতঃ আবুল খায়েরের ছেলে নুরুল আফছার সাদ্দাম(৫৫) গত ২৯ জুন সোমবার রাতে মেয়ের বাবা বাড়ি না থাকায় ঘরে গিয়ে জোড় করে ১১ বছরের এক শিশু মেয়েকে ভয় দেখিয়ে জোড় করে ধর্ষণ করে। মেয়ের আত্মচিৎকারে আসামি পালিয়ে যায়।ধর্ষক সম্পর্কে ধর্ষিতার ফুফা হন। সে এলাকায় বিয়ে করে বসবাস করে আসছে।

লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি চেঁপে যান ধর্ষিতার পরিবার। ধর্ষনে অতিরিক্ত রক্তপাতের কারনে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে কালকিনি সরকারি হাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এতে চারদিকে জানাযানি হলে মেয়ের বাবা গত কাল মঙ্গলবার বিকেলে থানায় এসে মামলা করলে পুলিশ ধর্ষক আফছার ওরোফে সাদ্দামকে গ্রেফতার করেন।
ডাসার থানার ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান, কালকিনি থানার ওসি মোঃ ইশতিয়াক আশফাক রাসেল জানান,এ ঘটনায় বাদি থানায় মামলা দায়ের করলে আমরা তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার আদালতে প্রেরন করি এবং ভিকটিমদের মেডিকেল পরিক্ষার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।