
প্রকাশ: ৩ জুলাই ২০২১, ০:২৮

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মহামারি করোনা প্রতিরোধে সাত দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। এ লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপজেলা শহর, মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিতে দেখা গেছে।
মহাসড়কে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহন ব্যতীত কোনো যান চলাচল করতে দেখা যায়নি। সকাল থেকেই ঢাকা-খুলানা মহাসড়ক সহ গোয়ালন্দ বাজার, দৌলতদিয়া ঘাট সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা টহল দিয়েছেন।
সরজমিনে দুপুরে দৌলতদিয়া ঘাটের লকডাউন পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক দিলশাদ বেগম, জেলা পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোঃ সালাহউদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শেখ শরিফ-উজ-জামান, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এরশাদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফা মুন্সী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আজিজুল হক খান মামুন, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. রফিকুল ইসলাম, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর,দৌলতদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রহমান মন্ডল সহ প্রমুখ।
এ সময় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারের ১৭ দফা প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। শনিবার সকাল থেকে জেলা শহরসহ গোয়ালন্দ উপজেলায় বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক ভাবে কাজ করছে। তবে এ ক্ষেত্রে জনগণের আরো সচেতন হওয়া খুবই প্রয়োজন।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি


ডিসি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং বিজিবি কাজ করছে। এর পূর্বে আমরা মাইকিং করে সরকার প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেছি। আশাকরি কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই এই লকডাউন পালন হবে।
এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারের ১৭ দফা প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নে পুলিশ মাঠে থাকবে। শনিবার সকাল থেকেই মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। আমি নিজেও সকাল থেকে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছি, যাতে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং পুলিশ দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটে।
এছাড়াও রাজবাড়ীতে কঠোর এই লকডাউন পালনে সেনাবাহিনীর একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার উপজেলা শহরে কোনো প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলেনি। শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতেও চলাচল করেনি তেমন কোনো প্রকার যানবাহন। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং পয়েন্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।