
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২১, ১:৪৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর এর সাথে উপজেলার কর্মরত সকল গ্রাম পুলিশদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৩ জুন) দুপুরে থানা চত্বরে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় গ্রাম পুলিশদের উদ্দেশ্যে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, মাদকের ডিলার, বিক্রেতা, সেবনকারী ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিদের জরুরিভাবে গ্রেফতার করতে হবে। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা চান।
গ্রাম পুলিশরা তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। নিজ নিজ এলাকা অসামাজিক কার্যকলাপ দূর করতে পুলিশকে খবর দিতে হবে। গ্রামীন জনপদে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার অতন্ত্রপ্রহরীরা হলেন (চৌকিদার) গ্রাম পুলিশ। মানুষ রাতে আরামে নিশ্চিতে নির্ভয়ে রাতে ঘুমাবে আর পুলিশ তাদের রাত জেগে পাহারা দেবে এরই নাম পুলিশ এবং চৌকিদার (গ্রাম পুলিশের) কাজ।
গোয়ালন্দ থানার মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে চলাফেরা করতে পারে; যাতে কোনো স্থানে চুরি, ডাকাতি না করতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্রাম এলাকায় যে কোনো তথ্য বা ঘটনা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে পুলিশের আগেই গ্রাম পুলিশরা অবগত হন।

গ্রাম পুলিশ হলো পুলিশ বাহিনীর অন্যতম সহযোগী। তাই গ্রামীণ জনপদে যে কোন অপরাধ সংঘটিত ঘটনা দেখা বা খবর পেলে দ্রুত প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং ক্যাম্পে বা থানা পুলিশকে অবগত করার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে গ্রাম পুলিশের।
তিনি আরো বলেন, কোন অপরিচিত লোক এলাকায় দেখা গেলে থানায় খবর দিতে হবে। দিনে ও রাতে গ্রামে পাহারা দিতে হবে। সমগ্র ইউনিয়ন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্ব পালন করবে। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ও দুই রাত মহল্লাদারের কার্যক্রম আকস্মিকভাবে পরির্দশন করবে এবং মহল্লাদারকে তার কর্তব্য পালন সম্পর্কে সজাগ করবে।
কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে কোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কোন খবর পেলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে এবং থানার ওসিকে তা জানাতে হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে ও সমাজ পরিবর্তনে উন্নতির লক্ষ্যে গ্রাম পুলিশদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়।
বিশেষ করে এলাকায় মাদক প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডের বিষয়ে গ্রাম পুলিশকে সব সময় সজাগ থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন এই কর্মকর্তা।
এ সময় গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই, এএসআই সহ উপজেলা চার ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের ৩৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।