প্রকাশ: ১০ জুন ২০২১, ১০:১৫
বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন ব্রীজটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। রেলিং শূণ্য ব্রীজ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন ও পথচারীরা প্রতিদিন চলাচলের সময় দুর্ঘটনা ঘটলেও কোন পদক্ষেপ নেননি সংশ্লিষ্টরা।
ঝুঁকিপূর্ণ এ ব্রীজটি অচিরেই সংস্কার বা পুন:নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এ ব্রীজটি দুটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়ায় কোন জনপ্রতিনিধিই এবিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।
বিষয়টি অস্বীকার করে চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহতাব হোসেন সুরুজ জানান, ওই ব্রীজটি চাঁদপাশা ইউনিয়নের মধ্যে পড়েছে। তবে শুনেছি করোনার কারণে সবধরণের টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় ৬ মাস পূর্বে মাপঝোক হলেও টেন্ডার ঘোষণা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর পূর্বে চাঁদপাশা ও চরবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী সংযোগ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ব্রীজটির রেলিংগুলো ভেঙে গেছে। বর্তমানে ওই ব্রীজে কোন রেলিং নেই।
ওই ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোকজন এবং শতাধিক যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ফলে প্রতিদিনই এ ব্রীজ পাড় হতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আমিরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এ ব্রীজটি দুটি সংসদীয় আসন বরিশাল সদর ও বরিশাল-৪ এবং চাঁদপাশা ও চরবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়ায় কেউ-ই এদিকে নজর দিচ্ছেন না।
অথচ এ ব্রীজের ঠিক আধা কিলোমিটারের মধ্যে বরিশাল-৪ আসনের চাঁদপাশা ইউনিয়নে একটি দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। যে ব্রীজটি দেখতে অনেকেই দূর দূরান্ত থেকে আসেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
জানা গেছে, বরিশাল নগরী থেকে বায়লাখালি গ্রাম ও বাবুগঞ্জ যাওয়ার সহজ পথ হিসেবে এ ব্রীজটি ব্যবহার করেন গ্রামবাসী। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করায় ব্রীজটি একপাশের্^ দেবে গেছে।
যেখানে প্রতিনিয়ত ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে। তাই চরবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এ ব্রীজটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।
চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহতাব হোসেন সুরুজ জানান, ওই ব্রীজটি আমাদের ইউনিয়নের আওতায় না। শুনেছি চলতি বছরের শুরুর দিকে ব্রীজটি নির্মাণ করার জন্য মাপঝোকও করা হয়েছিল। তবে টেন্ডার ঘোষণা হয়নি।
তাছাড়া করোনার কারণে সব ধরণের টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, হয়তো করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।