ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী ইউনিয়ন ভবন থেকে বংকিরা স্কুল মোড় হয়ে আসাননগর সড়কের নির্মাণকাজ অবশেষে শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ৩২ বছর পর সড়কটির মাঝখানের প্রায় ৭০০ মিটার অংশ নতুন করে নির্মাণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে ঝিনাইদহের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে পরিচিত প্রয়াত মসিউর রহমানের উদ্যোগে সড়কটির সলিং কাজ শুরু হয়। সে সময় পর্যায়ক্রমে ১৬ লাখ ও পরে ১৯ লাখ টাকার বরাদ্দ এনে সড়কের উন্নয়ন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে মাঝের একটি অংশ দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভেঙে পড়ে এবং চলাচলের অযোগ্য হয়ে ওঠে।
ফলে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। তারা বাধ্য হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জীবনা গ্রাম হয়ে দশমাইল বাজার ঘুরে ঝিনাইদহে যাতায়াত করতেন। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুটোই বেড়ে যায়।
আসাননগর গ্রামের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট ব্যাংকার সিরাজুল ইসলাম জানান, সড়কের দুই পাশ পিচঢালা হলেও মাঝখানের অংশটি দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। এতে করে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন।
সাধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নাজির উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা স্বস্তি পেয়েছেন।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আসিফ কাজল এলজিইডির ঝিনাইদহ ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একাধিকবার তদবির করে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালেও তিনি সড়কটির প্রাথমিক উন্নয়ন কাজে যুক্ত ছিলেন।
ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম মনসাদ বলেন, সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঝিনাইদহ শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসবে।