
প্রকাশ: ৬ জুন ২০২১, ২১:৩৬

পটুয়াখালীতে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি এবং তীব্র বজ্রপাতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও সদর উপজেলার মাদারবুনিয়ায় দুইটি ও মরিচবুনিয়ায় দুইটি গরু, গলাচিপার আমখোলায় একটি মহিষ ও একটি গরুসহ ৬টি রাজহাঁসের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রবিবার বিকালে এসব প্রানীর মৃত্যু।
জানা যায়, বিকালে মির্জাগঞ্জের আবদুল জলিল নিজ বাড়ির পাশের বিলে ধানের বীজ রোপন করতে যায়। এসময় আচমকা বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। মৃত জলিল উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের তারাবুনিয়া গ্রামেরসেরজন আলী হাওলাদারের ছেলে।
অপরদিকে, বিকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মজিবর হাওলাদার নিজ ঘরে বসে কাজ করতে ছিলেন। এসময় ব্রজপাতের বিকট শব্দে তার মৃত্যু হয়। মৃত মজিবর মরিচবুনিয়ি ইউনিয়নের মরিচবুনিয়া গ্রামের মৃত মোনসের হাওলাদারের ছেলে।
এদিকে আজ রোববার দুপুরে শুরু হওয়া ঝড় হাওয়া ও তীব্র বজ্রপাতের প্রভাবে জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুপুরের পর থেকেই শহরের সব এলকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে।
জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পরেছে। জেলায় দেড় ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস। বজ্রপাতে ট্রান্সমিটারের ক্ষতির পাশাপাশি অনেক এলাকায় বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ পড়েছে এবং কোথাও কোথাও বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গেছে।

পটুয়াখালী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় তিনটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে, এছাড়া অনেক এলাকায় বিদ্যুৎতের তারের উপর গাছ পড়ে আছে। ইতোমধ্যে আমাদের লোকজন কাজ শুরু করেছে। যতদ্রুত সম্ভব আবারও সংযোগ পুর্নস্থাপনের চেষ্টা করছি। কাজ শেষ হলেই লাইন চালু করা হবে। তবে সেজন্য আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. মাসুদ রানা বলেন, দেড় ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৪৮ কিলোমিটার।
#ইনিউজ৭১/জিয়া/২০২১