করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন রোধে ভারত ফেরতদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ কারণে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে চাচ্ছেন না বেশি ভাগ মানুষ। তবে পুলিশ পাহারাসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কঠোর নজরদারি কারণে কোনো অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছেন না তারা।
কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ভারতফেরত যারা কোয়ারেন্টাইনে আছেন তারা মনে করছেন তাদের আটকে রাখা হয়েছে। তারা হঠাৎ করে গভীর রাতে মোবাইলে ফোন করে বলেন, রাত ১০টায় ফোন করে বলেন, আমার স্যুপ খেতে হবে। প্রথমে এসি রুমে থাকতে চাইলে পরে আবার বলে এত টাকা ভাড়া দিতে পারবো না। কম টাকার রুমে দেন। ১৪ দিনে ২ বার করোনা টেস্ট করাতে তারা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের টাকাও দিতে রাজি নয়।
তিনি আরও বলেন, রাত ৩টায় মোবাইলে ফোন করে ঘুম ভাঙায়। আমরা তাদের মোবাইল ফোনে পাগল হয়ে যাচ্ছি। এমন দিন গেছে আমি এক দিনে ৯৬টি কল ধরেছি। যার বেশির ভাগ ছিল অন্যায় আবদার।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসেন জানান, কোয়ারেন্টিনে থাকা সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ভারত থেকে দেশে এসেছেন। কোয়ারেন্টাইন অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। তাদের পুলিশ প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রেখেছেন। ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।