
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২১, ২২:৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় বর্তমানে পুলিশ বাহিনীর আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা ব্যপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।
তিনি বলেন- পুলিশ বাহিনীর সকল সদস্য সন্মানজনক বেতনভাতা পেয়ে থাকেন। দূর্নীতিমুক্ত পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার পুলিশের কল্যানে বহুবিধ উদ্যোগ গ্রহন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে গর্বিত পুলিশ বাহিনী আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে যেমন গুরত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে তেমনই এখন তারই স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখতে হবে।
সোমবার বিকেলে নওগাঁ শহরের বাঁঙ্গাবাড়ীয়া মহল্লার ডিগ্রী মোড় সংলগ্ন স্থানে জেলা পুলিশ শপিংমল এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা পুলিশের এর আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া।
প্রধান অতিথি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় এমন উদ্যোগ গ্রহন করা প্রয়োজন। এতে করে বৈধভাবে আয় করা সম্ভব। ইতোমধ্যে পুলিশের আটা, পানি, চিনি ও লবনসহ কিছু পণ্য উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং আগামীতে তেল সহ আরো কিছু পন্য উৎপাদন করা হবে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে সেগুলো বাজারজাত শুরু হবে।
এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সাবেক আইজিপি ও সচিব তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো.আব্দুল বাতেন ও জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) কে.এম.এ মামুন খান চিশতী, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুরাইয়া খাতুনসহ জেলার ১১টি থানার অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, গত বছর সাবেক আইজিপি ও সচিব তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ জেলা পুলিশকে ৪৬ শতাংশ জমি দান করেন। আগামী ৯০-১৪০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু হবে। শেয়ার বিক্রি হবে ১০ হাজার টাকা করে। শুধু পুলিশ সদস্যরাই শেয়ার কিনতে পারবেন। বিনিয়োগকারীরা এখান থেকে লভ্যাংশ পাবেন।
জানা গেছে, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কৃতিসন্তান তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১৯৬১ সালে পিএসপি কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশে যোগ দেন। চাকরি জীবনে দু’বার আইজিপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি অবসরে যান।
নওগাঁ শহরের অভিজাত এলাকা বাঁঙ্গাবাড়ীয়া মহল্লার ডিগ্রী মোড় সংলগ্ন স্থানে ৪৬ শতাংশ জমি জেলা পুলিশকে দান করেন। জমি দানের বিষয়টিকে স্থানীয় পুলিশ ও এলাকাবাসী বিস্ময়ের সঙ্গে প্রশংসা করেছেন। সেই জমির ওপর জেলা পুলিশের কো-অপারেটিভ সোসাইটির উদ্যোগে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শপিংমল-এর পার্শ্বে অন্য অংশে একটি আধুনিক মানের ভবন নির্মান করা হবে। যেখানে থাকবে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, পুলিশ ম্যাচ এবং বানিজ্যিক ফরমেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম।
#ইনিউজ৭১/জিয়া/২০২১