প্রকাশ: ২৭ মে ২০২১, ২১:৫
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস পরবর্তী বিপর্যয়ে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সীমান্তের ইছামতি ও কালিন্দী সহ কাঁকশিয়ালী ও ঘলঘেষিয়া শাখা নদীর পানি ৮/৯ ফুট বৃদ্ধিতে আকষ্মিক জলোচ্ছাস ও নদী ভাঙ্গণে ব্যাপক এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত পানি ঢুকে পড়ে।
ফলে হাজার হাজার বিঘা জমির শত শত মৎস্য ঘের ডুবে কোটি কোটি টাকার চিংড়ী ও সাদা মাছ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বাহির চরে ছোট বড় অগনিত মৎস্য ঘের ও পুকুর সহ ওয়াপদা ভেড়ি বাঁধের পাশে বসবাসকারী শত শত ঘর বাড়ি দ্বিতীয় দিনের মত পানিতে তলিয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে।
২৭ মে দুপুর ১২টার দিকে সৃষ্ট জোয়ারের পানিতে নদী সমূহ ফেঁপে ফুঁসে উঠে, বিকাল ৩টা পর্যন্ত ওয়াপদা বাঁধ উপচিয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে, বাজার ঘাটে পানি ঢুকতে থাকে। পরে ভাটার টানে কিছু পানি কমলেও ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা হয়নি। এদিকে দ্বিতীয় দিনের মত পাউবো’র ৫নং পোল্ডার অধীন হাড়দ্দহা-চিংড়া এলাকায় প্রায় ১ কিঃ মিঃ ব্যাপী এলাকায় জলোচ্ছাসে চিংড়ী ঘের প্লাবিত হয়,ওয়াপদা বাধে ২০-২৫ ফুট ভাঙ্গনের কারণে অবিরাম পানি ঢুকতে থাকে, যা চিংড়া, পাঁচবাড়ী, ছোটবিল, মহেশ্বরকাটী সহ পাশ্ববর্তী এলাকায় ঢুকে পড়ে।
কালীগঞ্জ কাঁকশিয়ালী বাজার ও মোকাম ৪-৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে উপজেলা ভুমি অফিস ও সদর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে ৩-৪ ফুট পানি ঢুকে পড়ে। কবলিত এলাকার বসবাসকারী জনগন কালীগঞ্জ সদরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহন করে। এদিকে সামনে ২-৩ দিন জোয়ারের পানির তীব্রতা থাকবে এমন আশংঙ্খায় আতংকিত এলাকাবাসী।
কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নরিম আলী মুন্সি, কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, পানি উন্নয়নবোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবুল খায়ের, এস.ডি তন্ময় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
এবিষয়ে পানি উন্নয়নবোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবুল খায়ের বলেন “ক্ষতিগ্রস্থ হাড়দ্দহা ওয়াপদা বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড তাৎ’ক্ষনিক ভাবে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে ভেকু দিয়ে সংস্কারের কাজ শুরু করছে।