
প্রকাশ: ২০ মে ২০২১, ১১:৫২

আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ৬৫ দিনের সাগরে মাছ ধরার উপড় নিষেধাজ্ঞা। বছরজুড়ে ইলিশের আকালের মধ্যে এমন খবরে দখিনের বৃহৎ মৎস্য বন্দর আড়ৎ আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটায় বিরাজ করছে হতাশা। নিষেধাজ্ঞার সময় পুন:বিবেচনাসহ এ সময়ে ভারতীয় জেলেদের আগ্রাসন বন্ধের দাবী স্থানীয় জেলেদের। জেলার নিবন্ধিত প্রায় সত্তর হাজার জেলেসহ সহ¯্রাধিক ব্যবসায়ীর দাবী বিবেচনায় এগিয়ে আসবে সরকার এমন প্রত্যাশা সংশ্লিস্টদের।
সামুদ্রিক মাছের বাঁধাহীন প্রজনন ও সংরক্ষনে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের মৎস্য আহরনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মৎস্য বিভাগ। বছর জুরে ইলিশের আকাল আর করোনার প্রার্দুভাবে বিপর্যস্ত দখিনের বৃহৎ মৎস্য বন্দর আড়ৎ আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটায় নিষেধাজ্ঞার এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলেসহ ব্যবসায়ীরা। এসময়ে প্রদেয় অপ্রতুল খাদ্য সহায়তাও নিয়ে রয়েছে জেলেদের ক্ষোভ। বছর জুড়ে বিভিন্ন সময়ের মাছ ধরার এমন নিষেধাজ্ঞায় হতাশ হয়ে অনেক জেলেই করছেন পেশার পরিবর্তন।
মহিপুরের জেলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ সময়ে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ শিকার করে নিয়ে যায়। ফলে অবরোধের পরে আমাদের জালে তেমন একটা মাছ পরেনা। অপর জেলে রহমান মিয়া জানান, এটা আসলে কোন কার্যকর অবরোধ নয়। এই নিষেধাজ্ঞার সময় পুন:বিবেচনার দাবি তার। আলীপুরের জেলে সলিমউদ্দিন জানান, ৬৫ দিনের জন্য দেয়া হয় মাত্র ৮০ কিংবা ৮৫ কেজি চাল। এ প্রনোদনায় সংসার চলেনা। তাই অবরোধকালীন সময়ে রিক্সা চালানো ছাড়া কোন উপায় নেই।

মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি ও মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলু গাজী জানান, বছরজুড়ে সাগরে তেমন একটা মাছ ধরা পরেনি। অনেক ব্যবসায়ী করোনার প্রার্দুভাবে নি:স্ব হয়ে গেছেন। এই অবরোরেধ সময় বার বার পুন:বিবেচনার কথা বলা হলেও এ বিষয়ে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেই।
মৎস্য ভিত্তিক অর্থনীতির সুরক্ষায় জেলেদের পেশা পরিবর্তন রোধে খাদ্য সহায়তার পরিমান বৃদ্ধিসহ আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবী জানান তিনি। এছাড়া ভারতীয় জেলেদের আগ্রাসন রোধের দাবীও তার। কলাপাড়া সিনিয়ির উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, জেলেসহ ব্যবসায়ীদের দাবি উর্ধ্বতনদের অবহিত করা হয়েছে।