
প্রকাশ: ৯ মে ২০২১, ১৭:৩৪

স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি ও ক্রেতারা শহর মূখী হওয়া ও করোনায় আশাশুনির স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে।ফলে কমে গেছে স্বর্ণের অলঙ্কার তৈরির কাজ ও কেনাবেচা।দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির ফলে প্রায় ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে এ উপজেলার স্বর্ণের দোকান গুলো।
অনেকেই স্বর্ণশিল্পী জুয়েলারির দোকান ছেড়ে দিয়ে ঝুঁকছে নিজেদের জীবিকা নির্বাহের জন্য অন্য কোন পেশায়।যারা এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় যেতে পারছে না তারা নিরুপায় হয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপার করছে।গত ১০ বছরের যে হারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সে হারে অন্য কোন জিনিসের দাম বৃদ্ধি পায় নি।দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় এক হাজার শতাংশ।
২০০১ সালে দেশের অভ্যন্তরে স্বর্ণের দাম ছিল ভরি প্রতি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।স্বর্ণের দাম ভরি প্রতি বিক্রয় হচ্ছে ২২ ক্যারেট ৬৮ হাজার টাক্,া২১ ক্যারেট ৬৫ হাজার টাকা।এর সাথে স্বর্নের অল্কংার বানাতে গেলে ভরি প্রতি মজুরি যোগ হয় আরো ৬ থেকে ৪ হাজার টাকা।সভ্যতার সূচনা থেকে সোনার তৈরি বিভিন্ন ধরনের অলংকর মানুষ ব্যবহার করতে শুরু করে।স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্ণের অলংকারের প্রতি সবারই একটা আকর্ষণ চিরকালই বিদ্যমান ছিল।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্নের অলংকারের প্রতি আর্কষণ থাকলেও তেমন কেউ স্বর্ণের অলংকার তৈরি করছে না। বিশেষ করে নব বধূদের বিয়ের সময় ছাড়া তেমন একটা স্বর্ণের অলংকার তৈরি হচ্ছে না।গত বছর থেকে করোনার কারনে এক প্রকার বিয়ে সাদি বন্ধ রয়েছে।আর এর প্রভাব পড়েছে স্বর্ণব্যবসায়ী ও স্বর্ণশিল্পীদের ওপর।এর ফলে স্বর্ণশিল্প ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে পৌঁছেছে।
স্বর্ণের দাম বাড়ায় ইমিটেশনের অলংকার পরে সাজগোজ করতে দেখা যাচ্ছে অনেক কে।আশাশুনির বিশ্বকর্মা জুয়েলাস,মাতৃ জুয়েলাস,নিউ দে ব্রাদার্স,মাতৃ জুয়েলাস সহ প্রায় ৩০/৪০ টি জুয়েলারি দোকান রয়েছে।

্আশাশুনির বুধহাটা বাজারের জুয়েলার্স এর মালিক তপন কুমার পাইন জানান ,এক সময় ব্যাপক স্বর্ণের অলংকার বেচাকেনা হতো।বিগত ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে স্বর্ণের কেনাবেচা একেবারেই শূন্যের কোঠায় নেমে গেছে।আবার অনেক ক্রেতারা না বুঝে শহরমুখী হওয়ায় বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে স্বর্ণের অলংকার তৈরি ও কেনাবেচা নেই বল্লে চলে।
সরকার আগামীতে স্বর্ণের দোকানি ও ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে যদি স্বর্ণের দাম হাতের নাগালে না নিয়ে আসে তা হলে আগামীতে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের চরম বিপাকে পড়তে হবে।অপরদিকে আশাশুনি ভাঙ্গন প্রবন এলাকা,করোনার কারনে দফায় দফায় স¦র্নের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় জুয়েলারি দোকানে কর্মরত কারিগরদের তেমন কাজকর্ম নেই বল্লে চলে।ফলে ব্যবসায়ীদের চেয়েও আরো করুন দুর্দশার মধ্যে জীবনযাপন করছে।
#ইনিউজ৭১/জিয়া/২০২১