প্রকাশ: ১ মে ২০২১, ২২:৩৮
দেশের দক্ষিণ উপকূলে বঙ্গোপসাগরের কোলে ভেসে থাকা নোয়াখালী জেলার একটি দ্বীপ হাতিয়া। মেঘনার করাল গ্রাসে এ দ্বীপের মূল ভূখন্ড বিলুপ্তপ্রায়।
নদীভাঙন রোধে ব্লক বাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বছরের পর বছর ধরে তদবির করা হলেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদেরের হাতিয়া সফরের পর কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল।
আনন্দের বিষয় হলো জিও ব্যাগগুলো ঠিকমতো আছে এবং এগুলোতে শ্যাওলাও জমেছে। আপাতত ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ দেওয়া গেলে নদীভাঙন অনেকটা রোধ হবে। কিন্তু করোনাকারীন সরকারের নতুন কোন বরাদ্ধের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকায় আসন্ন বর্ষায় নদীভাঙন মারাত্মক রূপ ধারন করার আশঙ্কা করছে হাতিয়াবাসী।
তাই নিজেদের টাকায় জিও ব্যাগ দেওয়ার লক্ষ্যে (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর আফাজিয়া বাজার বণিক সমিতি ও স্থানীয় নদীতীরবর্তী এলাকার জনগন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় হাতিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও চরকিং ইউনিয়ের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমেদ, নলচিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বাবলু, চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুল হক, সদস্য জনাব জাকারিয়া ডিপটি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি জনাব মহিউদ্দিন মুহিন, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি আলআমিনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও ব্যাবসায়ীগন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সম্মিলিত উদ্যোগে ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
হাতিয়া দ্বীপের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা থাকলে এ কাজ কঠিন হবে না বলে অনেকেই মনে করছেন।