
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৪৪

কুরআনুল কারিমের অনেক আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা নেককার নারীর অনেক গুণ তুলে ধরেছেন। নিজেদের জীবনে এগুণগুলোর বাস্তবায়ন ঘটালে সে নারী হয়ে ওঠে নেককার। যা তাকে দুনিয়া ও পরকালে সম্মানের আসনে আসীন করেন। কুরআনে ঘোষিত নেককার নারী গুণগুলো তুলে ধরা হলো-
দ্বীনদারী ও সতী-সাধ্বী
নেককার নারী প্রথম গুণ হলো- দ্বীনদার ও সতী-সাধ্বী হওয়া। কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা صَّالِحَاتُ তথা দ্বীনদার সতী-সাধ্বী গুণের অধিকারী হিসেবে নারীকে উল্লেখ করেন।আয়াতে এ শব্দের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে জারীর তবারী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, ‘দ্বীনের সঠিক অনুসারণকারীণী ও সৎকর্মশীল নারীগণ।’ নেককার নারীদের সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘সোনা-রূপা সম্পর্কিত আয়াত নাজিল হওয়ার পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কোন ধরনের মাল সঞ্চয় করব? তিনি বললেন, তোমাদের প্রত্যেকেই যেন সঞ্চয় করে- কৃতজ্ঞ অন্তর, জিকিরকারী মুখ এবং পরকালীন কর্মকাণ্ডে সহায়তাকারিনী মুমিনা নারী।’ (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)
