শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬৩ মাঘ, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

রোজার প্রাথমিক যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২০, ১৫:১৪

শেয়ার করুনঃ
রোজার প্রাথমিক যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

রমজান মাস ঘনিয়ে আসছে। করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়েও নিষ্ঠার সঙ্গে রমজানের ইবাদত-বন্দেগি করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে মানুষ। মাসজুড়ে উপবাস করাই রমজানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।দীর্ঘ ৩০ দিন রোজা পালন করবে মুমিন মুসলমান। এ সময় তারা সুবহে সাদেক থেকে শুরু করে সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত সব ধরনের খাদ্য-পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে। কারণ রোজা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। রোজার কিছু প্রাথমিক জিজ্ঞাসা তুলে ধরা হলো-

সাওম বা রোজা

সাওম বা সিয়াম আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা। ইসলামের রোজার বিধান হলো- সুবহে সাদেক থেকে শুরু করে সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত দিনের বেলায় যে কোনো ধরনের পানাহার ও স্ত্রী মেলামেশা থেকে বিরত থাকা। এবং রোজা ভেঙ্গে যায় এমন কাজ থেকে বিরত থাকা।

আরও

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ ৩ আমল, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ ৩ আমল, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা
ইসলামের রোজার তাৎপর্য

ইসলামে রোজা গুরুত্ব অনেক বেশি। এটি ইসলামের ৫টি স্তম্ভের অন্যতম একটি। এটি ধনী-গরিব সবার জন্য ফরজ। এ রোজা মানুষের জন্য জাহান্নামের ঢাল। হাদিসে এসেছে-হজরত ওসমান ইবনে আল-আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। রোজা জাহান্নামের আগুণ থেকে মুক্তির জন্য ঢাল স্বরূপ।’ (নাসাঈ)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে আল্লাহর পুরষ্কারের আশায় রমজান মাসের রোজা পালন করেন আল্লাহ তাআলা তার বিগত জীবনের সব গোনাহ মাফ করে দেবেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)হজরত আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে একদিনের জন্য রোজা রাখে আল্লাহ তাআলা তাকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে রাখেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg
যারা রোজা রাখবে

আরও

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

রমজানের রোজা প্রত্যেক মুসলিম পুরুষ-নারীর ওপর বাধ্যতামূলক। যাদের মধ্যে এ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পরবে তাদের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক। আর তাহলো-

- জ্ঞানবান হওয়া। অর্থাৎ পবিত্রতা অর্জন ও রোজা রাখায় সক্ষম হওয়া।

- প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া।

- স্থায়ী হলে অর্থাৎ সফর অবস্থায় না থাকলে।

- নারীদের জন্য হায়েজ (মাসিক) নেফাস (সন্তান জন্মদনের পরের রক্তক্ষরণ থেকে) মুক্ত হওয়া।

রমজান থেকে যারা অব্যহতি পাবে

যাদের জন্য রোজা রাখার প্রয়োজন নেই। আবার অনেকের জন্য এ রোজা পরবর্তী সময়ে পূর্ণ করতে হবে। আর তাহলো-পাগল, উম্মাদ তথা মস্তিষ্ক বিকৃতির লোক।পবিত্রতা ও রোজার জ্ঞানহীন শিশু।প্রবীণ ও বয়স্ক সেসব ব্যক্তি যাদের জন্য রোজা রাখা অসম্ভব। তারা তাদের রোজার পরিবর্তে একজন গরিবকে খাবার খাওয়াবে।গর্ভবতী মা অথবা সন্তান জন্মদানকারী মাদের জন্য। যারা রোজা রাখলে সন্তানের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।এসব নারীদের রোজার ক্ষেত্রে কোনো কোনো আলেম একজন গরিবকে খাওয়ানোর কথা বলেছেন। আবার অনেক আলেম এদেরকে পরবর্তীতে রোজা রাখার কথা বলেছেন।হায়েজ ও নেফাসের আন্তর্ভূক্ত নারীর রোজা। তারা হায়েজ ও নেফাসের পর রোজা পূর্ণ করবেন।

 রোজাদারের জন্য নসিহত

- রাতের শেষ ভাগে (ভোর হওয়ার আগে) রোজার নিয়তে সাহরি খাওয়া। সাহরির পর এভাবে রোজার নিয়ত করা-

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

- সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা।

- ইফতারের সময় বিশ্বনবির এ দোয়াটি পড়া-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png
- রোজা নষ্ট হয়ে যাবে এমন সব কাজ পরিহার করা।

- রোজা অবস্থায় যথাসম্ভব নেক কাজে অতিবাহিত করা।

 যে কাজে রোজা ভেঙে যায়

- কোনো কিছু খাওয়া বা পান করা।

- ইচ্ছাকৃত বমি করা। (তবে কেউ কেউ এটিকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন না।)

- নারীদের মাসিক ঋতুস্রাব শুরু হয়ে গেলে।

- যে কোনো ধরনের যৌন কাজ করা। আর তাতে বীর্জপাত হলে রোজা ভেঙে যাবে।

যেসব কাজে রোজা ভাঙবে না-

- গোসল করা।

- কুলি করা।

- নিজেকে নিয়ন্ত্রণে সক্ষম ব্যক্তির স্ত্রীকে আসক্তিহীনভাবে চুম্বান করা বা জড়িয়ে ধরা।

- পানি দিয়ে নাক-মুখ ধোয়া।

- মুখের লালা খাওয়া।

- (রান্নার কাজে জড়িত লোকের|) খাবার না খেয়ে স্বাদ চেখে দেখা।

- (প্রয়োজনে) ইনজেকশন নেয়া।

- ফুল বা সুগন্ধি ব্যবহার করা।

- স্বপ্নদোষ হওয়া।

- ভুলে কোনো কিছু খাওয়া বা পান করা।

- অবিচ্ছিন্নভাবে অল্প বমি করা।

রমজানের বেশি দিন বাকি নেই। রমজানের প্রস্তুতিতে এ বিষয়গুলোর ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা খুবই জরুরি।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে যথাযথভাবে রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ইনিউজ ৭১/ জি.হা

জনপ্রিয় সংবাদ

হাকিমপুরে প্রয়াত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

হাকিমপুরে প্রয়াত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

হিজলায় আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হলেন কাজী মঈনুল আলম

হিজলায় আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হলেন কাজী মঈনুল আলম

ঝালকাঠি-১: প্রার্থীতা ফিরে পেলেন সৈকত, পাল্টাচ্ছে নির্বাচনী সমীকরণ

ঝালকাঠি-১: প্রার্থীতা ফিরে পেলেন সৈকত, পাল্টাচ্ছে নির্বাচনী সমীকরণ

নির্বাচন কমিশনের আপিলে মঞ্জুর-নামঞ্জুর তথ্য প্রকাশ

নির্বাচন কমিশনের আপিলে মঞ্জুর-নামঞ্জুর তথ্য প্রকাশ

পানছড়িতে কম সময়ে বেশি লাভে তেল ফসল আবাদে উৎসাহ

পানছড়িতে কম সময়ে বেশি লাভে তেল ফসল আবাদে উৎসাহ

সর্বশেষ সংবাদ

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ফিকে ‘অ্যামেরিকান ড্রিম’, উদ্বেগে বাংলাদেশ

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ফিকে ‘অ্যামেরিকান ড্রিম’, উদ্বেগে বাংলাদেশ

বিদেশে পোস্টাল ব্যালটে নয়, দেশে সীমিত পরিবর্তন: ইসি

বিদেশে পোস্টাল ব্যালটে নয়, দেশে সীমিত পরিবর্তন: ইসি

পাকিস্তানে ব্যাংক লুট ও পুলিশ স্টেশনে হামলা, নিহত ১২

পাকিস্তানে ব্যাংক লুট ও পুলিশ স্টেশনে হামলা, নিহত ১২

গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের নতুন হুমকি: বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপ

গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের নতুন হুমকি: বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: আপিল শুনানির অষ্টম দিনের কার্যক্রম শুরু

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: আপিল শুনানির অষ্টম দিনের কার্যক্রম শুরু

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা) জুমার নামাজ হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী

মেরাজ অর্থ ঊর্ধ্বগমন। পরিভাষায় মেরাজ হলো, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সশরীরে সজ্ঞানে জাগ্রত অবস্থায় হযরত জিবরাইল (আ.) ও হযরত মিকাইল (আ.)এর সঙ্গে বিশেষ বাহন বোরাকের মাধ্যমে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা হয়ে প্রথম আসমান থেকে একে একে সপ্তম আসমান এবং সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত এবং সেখান থেকে একাকী রফরফ বাহনে আরশে আজিম পর্যন্ত ভ্রমণ; মহান আল্লাহ তায়ালার

দোয়া আর নফল ইবাদতে হোক নববর্ষের সূচনা

দোয়া আর নফল ইবাদতে হোক নববর্ষের সূচনা

নতুন বছর উপলক্ষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমাদের প্রার্থনা থাকবে তিনি যেন আমাদের জন্য অফুরন্ত কল্যাণ বয়ে আনেন। সাধারণত দেখা যায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে লোকেরা হৈ-হুল্লোড় ও ক্রীড়া-কৌতুক আর জাগতিক আনন্দ-উল্লাসের মাঝে সারা রাত কাটিয়ে দেয় আর এতে এমন কোন অপকর্ম নেই যা পাশ্চাত্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে না করা হয়। আমাদের নিজেদের কর্ম নিয়ে একটু তো চিন্তা করা উচিত যে,

কোরআন ও হাদীসের আলোকে শবে মেরাজ এবং মেরাজের ঘটনা

কোরআন ও হাদীসের আলোকে শবে মেরাজ এবং মেরাজের ঘটনা

সাতাশে রজবের রাতঃ প্রসিদ্ধ আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেরাজ এই রাতে হয়েছিল। প্রসিদ্ধ কথাটা এজন্য বলা হল যে, কোন মাসে এবং কোন তারিখে মেরাজ হয়েছিল এ ব্যাপারে প্রচুর মতভেদ আছে। প্রসিদ্ধ হল রজব মাসের ২৭ তারিখেই এটা হয়েছিল। মেরাজ হয়েছিল একথা কোরআনে এবং হাদীসে আছে, ইতিহাসেও রয়েছে। এটা সত্য ঘটনা। কিন্তু কোন তারিখে হয়েছিল সেটা নিয়ে মতভেদ আছে।

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

‘রজব’ হলো আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহের মাস। রজব মাস বান্দার গুনাহ মাফের মাস। রজব মাসের সঙ্গে ইসলামের অতীত ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-রজব মাসে আকাশ পানে মেরাজে গমন করেছিলেন। হযরত নূহ (আ.) মহাপ্লাবনের আশঙ্কায় রজব মাসেই কিস্তিতে আরোহণ করেছিলেন। হযরত রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের- কাছে রজব মাসেই প্রথম ওহি আসে। এছাড়া রজব হলো জান্নাতের