সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬৯ চৈত্র, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

জিবরিল (আ.) মানুষের রূপে নবিজীর (সা.) কাছে এসেছিলেন কেন?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২১, ১৬:৩

শেয়ার করুনঃ
জিবরিল (আ.) মানুষের রূপে নবিজীর (সা.) কাছে এসেছিলেন কেন?

কোরআনুল কারিমের ওহিসহ দ্বীন-ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসতেন হজরত জিবরিল আলাইহিস সালাম। যা মানুষের জন্য কল্যাণকর। একবার তিনি নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঈমান ও ইসলাম সম্পর্কিত বেশ কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। সে প্রশ্নগুলো কী ছিল? প্রশ্ন এবং উত্তরের ধরণই বা কেমন ছিল? তাঁর পরিচয় সম্পর্কেই বা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী বলেছিলেন?

একদিন হজরত জিবরিল আলাইহিস সালাম মানুষের বেশ ধারণ করে আসলেন এবং উপস্থিত অনেক সাহাবায়ে কেরামের সামনে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দ্বীন সম্পর্কিত অনেক প্রশ্ন করলেন। আবার নবিজীর উত্তর শুনে বিজ্ঞের মতো তা সত্যয়নও করছিলেন। হাদিসের বর্ণনায় তা সুস্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে-

আরও

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

হজরত ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একদিন আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি আমাদের কাছে আত্মপ্রকাশ করলেন। তাঁর পোশাক ছিল ধবধবে সাদা। চুল ছিল কুচকুচে কালো। কিন্তু তাঁর মধ্যে সফরের না ছিল কোনো চিহ্ন; আর না আমাদের কেউ তাকে চিনতে পেরেছেন।

তিনি এসেই নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বসে পড়লেন। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাঁটুর সাথে তাঁর হাঁটু মিলিয়ে দিলেন। তাঁর দুই হাত তাঁর দুই উরুর উপর রেখে বললেন-

আরও

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

১. হে মুহাম্মাদ! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে কিছু বলুন, অর্থাৎ- ইসলাম কী?

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন, ‘ইসলাম হচ্ছে-

> তুমি সাক্ষ্য দেবে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত আর কোন ইলাহ (উপাস্য) নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসুল।

 নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে।

জাকাত আদায় করবে।

রমাজান মাসের রোজা পালন করবে এবং

বায়তুল্লাহর হজ করবে; যদি সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য থাকে।’

আগন্তুক (বিজ্ঞের মতো এ কথাগুলোর সত্যয়ন করে) বললেন, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন।’ আমরা আশ্চর্যান্বিত হলাম। কারণ, একদিকে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (অজ্ঞের ন্যায়) প্রশ্ন করলেন, আবার অপরদিকে রাসুলের বক্তব্যকে (বিজ্ঞের ন্যায়) সঠিক বলে সমর্থনও করলেন।

২. এরপর তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমাকে ঈমান সম্পর্কে কিছু বলুন। অর্থাৎ ঈমান কী?

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর দিলেন, ঈমান হচ্ছে-

আল্লাহ তাআলাকে বিশ্বাস করা।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

তাঁর ফেরেশতাদের বিশ্বাস করা।

তাঁর (আসমানি) কিতাবসমূহ বিশ্বাস করা।

তাঁর রাসুলগণকে বিশ্বাস করা এবং

পরকালকে সত্য বলে বিশ্বাস করা। এছাড়াও

তাকদিরের উপর, অর্থাৎ- জীবন ও জগতে কল্যাণ-অকল্যাণ যা কিছু ঘটছে, সবই আল্লাহর ইচ্ছায় হচ্ছে- এ কথার উপর বিশ্বাস করা।

উত্তর শুনে আগন্তুক (আগের মতোই বিজ্ঞের মতো) বললেন, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন।’

৩. এরপর তিনি আবার বললেন, ‘‘আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন। অর্থাৎ ইহসান কী?

তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ইহসান হচ্ছে-‘তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত করবে যেন তুমি তাঁকে দেখছো। আর তুমি যদি তাকে না-ও দেখো, তিনি তোমাকে অবশ্যই দেখছেন।’এবারও আগন্তুক আবার প্রশ্ন করলেন- ‘আমাকে কেয়ামাত সম্পর্কে বলুন-

এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘‘এ বিষয়ে যাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে তিনি প্রশ্নকারীর চেয়ে বেশি কিছু জানেন না।’এবার আগন্তুক বললেন, ‘তবে কেয়ামতের  নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে বলুন। অর্থাৎ কেয়ামতের নিদর্শন কী?তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘কেয়ামতের নিদর্শন হলো-

দাসী তাঁর আপন মুনীবকে প্রসব করবে।

তুমি আরো দেখতে পাবে- নগ্নপায়ে চলা বস্ত্রহীন হতদরিদ্র মেষ চালকেরা বড় বড় দালান-কোঠা নিয়ে গর্ব ও অহংকার করবে।’

এরপর (অপরিচিত ধবধবে সাদা পোশাকের, কালো চুলের অধিকারী)  আগন্তুক চলে গেলে আমি (ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু) কিছুক্ষণ সেখানেই অবস্থান করলাম। পরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন-

হে ওমর! প্রশ্নকারী আগন্তুককে চিনতে পেরেছো?

আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন, ‘ইনি হচ্ছেন হজরত জিবরিল (আলাইহিস সালাম )। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন।’ (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাই, মুসনাদে আহামদা, তারগিব, মিশকাত)

মুসলিম উম্মাহকে দ্বীন শেখানোয় এ ছিলো হজরত জিবরিল আলাইহিস সালামের কৌশল। যা থেকে আদব-শিষ্টাচার এবং দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানতে পেরেছেন উম্মতে মুসলিমাহ।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলাম, ঈমান ও ইহসানের বিষয়গুলো হৃদয়ে ধারণ করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

ইসরায়েলের সাইবার ও অস্ত্র স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা ইরানের

ইসরায়েলের সাইবার ও অস্ত্র স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা ইরানের

আমাদের যুব সমাজ কারও আধিপত্য সহ্য করবে না: জামায়াত আমির

আমাদের যুব সমাজ কারও আধিপত্য সহ্য করবে না: জামায়াত আমির

ঝড়ের সুযোগে আইজিপির বাড়ি ভেঙে চুরি!

ঝড়ের সুযোগে আইজিপির বাড়ি ভেঙে চুরি!

শ্রীমঙ্গলে কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

শ্রীমঙ্গলে কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সর্বশেষ সংবাদ

ছয় লাখ মুসল্লিতে পূর্ণ শোলাকিয়ার ১৯৯তম ঈদ জামাত

ছয় লাখ মুসল্লিতে পূর্ণ শোলাকিয়ার ১৯৯তম ঈদ জামাত

এবার ভারত মহাসাগরে ইরানের হামলা, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা

এবার ভারত মহাসাগরে ইরানের হামলা, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা

ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: আইনমন্ত্রী

ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: আইনমন্ত্রী

প্রত্যাশিত রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঈদের ভোরে তেহরানে বিস্ফোরণ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

ঈদের ভোরে তেহরানে বিস্ফোরণ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

আজ ২০ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার, জুমাতুল বিদা। সারাদেশে দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, মর্যাদা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ‘জুমাতুল বিদা’ শব্দটি আরবি, যেখানে ‘বিদা’ অর্থ বিদায়—অর্থাৎ রমজানের শেষ জুমা। মুসলিম বিশ্বের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ভিড় করছেন। নামাজের

পবিত্র শবেকদর আজ

পবিত্র শবেকদর আজ

আজ সোমবার রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হবে। এই রাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের ২৬ তারিখ রাতে শবেকদর পালন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই রাত কাটান। শবেকদরের এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এই রাতকে কেন্দ্র করে কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে। ‘শবেকদর’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

ঐতিহাসিক বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজানে সংঘটিত বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এই দিনে বদর প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে অল্পসংখ্যক মুসলিম বাহিনী মক্কার কুরাইশদের শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় অর্জন করে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মক্কার কাফেররা মহানবী (সা.) এবং তাঁর অনুসারীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধের স্মারক বদর দিবস

ঐতিহাসিক বদর দিবস ১৭ রামাদ্বান। হিজরি দ্বিতীয় সনের এ দিনে বদর প্রান্তরে রাসূল (সা)-এর নেতৃত্বে মক্কার কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে যে সশস্ত্র যুদ্ধ হয় ইতিহাসে তাই ‘বদর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ। মক্কার কাফেররা রাসূল (সা) এবং মুমিন বাহিনীকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েই চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইসলামকে শেষ করে দেয়ার জন্য নানা ফন্দি আঁটতে

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর জাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। এখানে জাকাত সংক্রান্ত কিছু জরুরি মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো- মাসয়ালা: প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের (নারী-পুরুষ) মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে জাকাত ফরজ করা হয়েছে। যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর জাকাত ধার্য হয় তা হলো- ১. মালের