মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬২৮ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪০

শেয়ার করুনঃ
আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

১৭ রমজান। ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে তথা দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানে বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধ। প্রতিপক্ষ ছিল মক্কার মুশরিক ও মদিনার মুসলিম। এতে মুসলমানদের সেনা সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩। এই যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হয়েও কাফিরদের বিশাল বাহিনীর ওপর বিজয় লাভ করেছে। কোরআন কারিমে এই যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী যুদ্ধ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বদর যুদ্ধ থেকে শিক্ষা

আরও

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলামের ইতিহাসে এই যুদ্ধের অসামান্য গুরুত্ব রয়েছে। নিম্নে এই যুদ্ধের কিছু শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো—পরামর্শ : রাসুল (সা.)-এর সব কাজকর্ম ওহি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সব কাজে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। বদর যুদ্ধের সময় রাসুল (সা.) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। রাসুল (সা.) মূলত মদিনা থেকে বের হয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলাকে পাকড়াও করার জন্য।

পথিমধ্যে তিনি জানতে পারলেন কুরাইশরা তাদের কাফেলাকে রক্ষা করার জন্য সদলবলে যাত্রা করছে। তখন তিনি সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করলেন—এ মুহূর্তে কী করা উচিত। মুসলমানরা কি যুদ্ধ করবে, নাকি মদিনায় ফিরে যাবে। তখন রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের পরামর্শে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই যুদ্ধে রাসুল (সা.) হাব্বাব ইবনে মুনজিরের পরামর্শে যুদ্ধের অবস্থানস্থল পরিবর্তন করেন। অনুরূপভাবে রাসুল (সা.) বদরের বন্দিদের ব্যাপারেও সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন।

আরও

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা : যেকোনো কাজে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। উপযুক্ত ব্যবস্থা কিংবা উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বদর যুদ্ধের সময় দেখা রাসুল (সা.) সাধ্যমতো যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। রাসুল (সা.) তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ ও সাঈদ ইবনে জায়েদকে পাঠিয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলার খবর নিতে। অনুরূপভাবে রাসুল (সা.) আদি ইবনে জাবা ও বাসবাস ইবনে আমরকে বদরপ্রান্তে পানি খোঁজ করার জন্য প্ররণ করেন।

দোয়া : দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। দোয়া বিজয় ও সাফল্যের চাবিকাঠি। রাসুল (সা.) যেকোনো বিপদের সময় দোয়ার প্রতি খুব গুরুত্ব দিতেন। বদর  যুদ্ধের সময় রাসুল (সা.) আল্লাহর কাছে বিনয়াবনত হয়ে রোনাজারি করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য তলব করেছেন।

ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো যখন তোমরা নিজ প্রতিপালকের কাছে ফরিয়াদ করেছিলে, তখন তিনি ফরিয়াদের সাড়া দিয়ে বললেন, আমি তোমাদের সাহায্যার্থে এক হাজার ফেরেশতার একটি বাহিনী পাঠাচ্ছি, যারা একের পর এক আসবে।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৯)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

সাহায্য একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে : মুমিনদের বৈশিষ্ট্য হলো বিপদ কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মনোবল হারায় না, বিচলিত হয় না। তারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি গ্রহণ করে আল্লাহর ওপর ভরসা করবে। বদর যুদ্ধে দেখা যায়, মুসলমানদের সেনা সংখ্যা অবিশ্বাসীদের তুলায় অনেক কম ছিল। মুসলমানদের যুদ্ধ সরঞ্জাম ও বাহন বলতে ছিল ৭০টি উট, দুটি ঘোড়া এবং ৬০টি বর্ম। এ যুদ্ধ প্রমাণ করে যে বিজয় কিংবা সাফল্যের ওপর সেনা সংখ্যাধিক্যের কোনো প্রভাব নেই।

মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র : যুগ যুগ ধরে মুনাফিকদের উপস্থিতি আছে। তারা ইসলামের লেবাস পরে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। বদর যুদ্ধের দিনেও তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। মুমিনরা যখন সম্পূূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় কাফিরদের বিশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার সিদ্ধন্ত নিল, তখন মুনাফিকরা বলল, মুসলিমরা নিজেদের দ্বিনের ব্যাপারে ধোঁকার মধ্যে রয়েছে।

ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো মুনাফিক ও যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিল, তারা যখন বলেছিল, তাদের (মুমিনদের) দ্বিন তাদের বিভ্রান্ত করেছে। অথচ কেউ আল্লাহর ওপর ভরসা করলে মহান আল্লাহ তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৪৯)

অহংকার পতনের মূল : মক্কার কাফিররা নিজেকে খুব ক্ষমতাবান মনে করত। আত্ম-অহমিকা ও অহংকারের কারণে কেউ তাদের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তারা মক্কায় মুসলমানদের ওপর বর্ণনাতীত নির্যাতন করেছিল।

যুদ্ধের দিনও মুসলমানদের তুলনায় তাদের সেনা সংখ্যা ও যুদ্ধ সুরঞ্জাম অনেক বেশি ছিল। এ নিয়ে তারা অহংকারও করেছিল। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাদের অহংকার ও ক্ষমতার দাপট মাটিতে মিশিয়ে দিলেন। বদর যুদ্ধে আবু জাহেল, উতবা, শাইবা ও উমাইয়ার মতো কুরাইশদের বড় বড় সর্দার নিহত হয়।

#ইনিউজ৭১/জি/হা/২০২১

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

মঠবাড়িয়ায় এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে বাড়তি দাম, কোথাও মিলছে না গ্যাস

মঠবাড়িয়ায় এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে বাড়তি দাম, কোথাও মিলছে না গ্যাস

সর্বশেষ সংবাদ

হিলিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

হিলিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর

এয়ার ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশিসহ ৩১ দেশের ক্রুরা

এয়ার ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশিসহ ৩১ দেশের ক্রুরা

জ্বালানিনিরাপত্তায় সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

জ্বালানিনিরাপত্তায় সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব অপর্যাপ্ত, সাত শর্তে অনড় অবস্থানে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব অপর্যাপ্ত, সাত শর্তে অনড় অবস্থানে ইরান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ