
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২০, ২১:২৯

পদত্যাগকারী স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের বিচার দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব এই দাবি করেন।তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক পদত্যাগ করেছেন এবং শোনা যাচ্ছে যে, তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে। আসলে তাকে তো বরখাস্ত করা উচিত ছিলো এবং শুধু স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকই নয়, এর সঙ্গে যারা যারা জড়িত আছেন, ভুল তথ্য দিয়েছেন জনগণকে। তার দায়-দায়িত্ব অবশ্যই সরকারের উপরে বর্তায়। আমরা মনে করি, এখানে শুধু মহাপরিচালকের পদত্যাগ নয়, মহাপরিচালকের বিচার এবং একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। এটা অত্যন্ত যৌক্তিক একটি দাবি।
এসব অনিয়ম কর্তৃপক্ষের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কী আদৌও আছে? করোনাকালেও স্বাস্থ্যসুরক্ষার সামগ্রীর কেনা কাটায় দুর্নীতি চরমে। এর দায় সরকার এড়াতে পারে না। করোনা মহামারীর এই সংকটকালে পুরো জাতি যখন ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন, যখন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে, যখন সরকারি হিসাব মতেই দৈনিক প্রায় ৪০ জন করে করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন তখন স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের শামিল। স্বাস্থ্য খাতের জবাবদিহিতাহীন দুর্নীতির দায় সরকারেরই বহন করতে হবে।
জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণা ও রিজেন্ট হাসপাতালের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ২০১৪ সাল থেকেই রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স অবৈধ জানা সত্ত্বেও হাসপাতালটিতে করোনা টেস্ট ও চিকিৎসার জন্য সরকার কীভাবে চুক্তি করলো? ওই চুক্তি অনুষ্ঠানে খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিবসহ কয়েকজন সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালনকসহ আরও অনেকে উপস্থিতি ছিলেন বলে আমরা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে দেখতে পেরেছি। এই ধরনের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর উপস্থিতি থাকার প্রটোকল নেই।
