প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০২০, ২১:৪২
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার বিকেলে তিনি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে নিজের স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ বিষয়ে বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেই অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির শূন্য
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে ঘিরে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দেশে ফেরার পরই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বঙ্গভবনের সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা চলছে। তবে এসব গুজবে বিভ্রান্ত না
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফেরার পর তার কাছেই রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সারওয়ার
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর সামনে আসার পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকার কিংবা ক্ষমতাসীন বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে রাজনৈতিক মহল ও দলীয় বিভিন্ন সূত্রে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম