প্রকাশ: ৫ মে ২০২০, ২:১৪
জুলাই বিপ্লবী ও আধিপত্যবাদবিরোধী ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শহিদ শরিফ বিন ওসমান হাদির হত্যা মামলার দুই আসামিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত সম্মত হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী হরদীপ পুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক
জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬। এর ফলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হলো এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। দিনের সম্পূরক কার্যসূচির অংশ হিসেবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি
আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসায় বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু করা হবে। পাশাপাশি
জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬ সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে আলোচনা শেষে এটি পাস হয়। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার প্রেক্ষাপটে আইনটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি তাৎপর্য বহন করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। নতুন আইনের মাধ্যমে সরকার এখন থেকে কোনো ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা রাজনৈতিক দলকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার
বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের ১৩টি দেশ। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত এসব দেশের দূতাবাস যৌথভাবে বিবৃতিটি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। ভিসা আবেদন করতে গিয়ে জাল কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা