
প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ৪:৬

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এস এম খবীরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কলেজে বৃক্ষ রোপন প্রকল্পে প্রায় ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিক্যাল এডুকেশন শাখার হিসাবরক্ষণ (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মো. আফজাল হোসেনের ঘনিষ্ট আত্মীয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ এস এম খবীরুল ইসলাম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের বৃক্ষ রোপন প্রকল্পে প্রায় ১১ কোটি টাকার গড়মিল রয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, প্রায় ২০০টি গাছ লাগানো হয়েছে। এমত অবস্থায় এলাকাবাসীর প্রশ্ন উঠে, তাহলে কি প্রায় ২০০ গাছ লাগাতে খরচ ১১ কোটি টাকা?
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, ডাঃ এস এম খবীরুল ইসলাম কিছু জমি- জমা ও সম্পত্তি বিক্রি করে এ টাকা বিদেশে পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে আত্মীয় আফজালের অবৈধ অর্থে গড়া বাড়ির ভাড়া তিনি নিজেই তুলছেন। দ্বিতীয় আফজাল হিসাবেই ফরিদপুরে সমালোচিত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এস এম খবীরুল ইসলাম। আফজালের যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে খবীরুল ইসলাম সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলেও জানা যায়।
খবীরুল এখন শত কোটি টাকার মালিক। অন্ধকারে থেকে বদলী, নিয়োগ বাণিজ্যসহ দুর্নীতি অনিয়ম করেছেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এস এম খবীরুল ইসলাম। জানা গেছে, আফজাল হোসেন ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চতুর্থ শ্রেণীর একজন কর্মচারী। তিনি এখন শত কোটি টাকার মালিক। ঢাকায় রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট। বিলাসবহুল গাড়ি। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরে বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এই কর্মচারীর সিটি ব্যাংক ও এবি ব্যাংকে জমা রয়েছে কোটি টাকা। এমনকি তার স্ত্রী একই অধিদপ্তরের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার স্টেনোগ্রাফার রুবিনা খানমও ঢাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ির মালিক।

ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব