প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৪৭

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে নিজের বাসভবনে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মতবিনিময়ে নাগরিক সমাজের নেতারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। বিশেষ করে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ওপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি তারা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
তাদের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ করা হলে মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সীতাকুণ্ডের পর্যটন ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও এ ধরনের সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও জানান। বিশেষ করে বড় দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত অংশে এ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

নাগরিক সমাজের দাবির জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, যানজট নিরসনে সরকার বৃহৎ পরিসরে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতারা তাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা উল্লেখ করে একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। এতে সীতাকুণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির লাইন সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সম্প্রসারণের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন নাগরিক সমাজের নেতারা।