দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রবীণ নেতাদের অভিমত।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের গুলিতে তিনি নিহত হন। এতে দেশের রাজনৈতিক ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয় বলে অনেকে মনে করেন।
তার শাসনামলে কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রবাসী শ্রমশক্তি গঠনের উদ্যোগ এবং রিজার্ভ শক্তিশালী করার ভিত্তি গড়ে ওঠে।
পোশাক শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যায় তার সময়েই। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সংস্কারের ফলে স্বাক্ষরতা ও চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি পায়। একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট গঠন এবং জাতীয়তাবাদী দর্শনের মাধ্যমে তিনি দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করেন বলে মত বিশ্লেষকদের।