দেশের কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক উদ্বোধন আগামী পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এ দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এই বিশাল কর্মসূচি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি শক্তিশালী সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, কৃষক কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের প্রতিটি কৃষকের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ধাপে ধাপে বিভিন্ন সরকারি সেবা পাবেন।
এই কার্ডের আওতায় কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং কৃষি বীমাসহ বিভিন্ন সুবিধা লাভ করবেন। শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষক নয়, বরং মৎস্য চাষী এবং প্রাণিসম্পদ খামারিরাও এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন।
এছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকেরা আবহাওয়া পরিস্থিতি, বাজারদর এবং ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ পাবেন।
কর্মসূচির প্রাথমিক ধাপে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর প্রাক-পাইলট পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের নয়টি নির্বাচিত উপজেলার নয়টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।