
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৭

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দলটির নেতা হিসেবে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ ও দক্ষ তরুণ নেতাদের সমন্বয় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিএনপি নেতৃত্ব আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রেখে মন্ত্রিসভা সাজাতে চায় বলে দলীয় মহলে আলোচনা রয়েছে। একক কোনো অঞ্চল নয়, সারাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাই লক্ষ্য।
প্রবীণ নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মঈন খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের কেউ মন্ত্রিসভায় থাকবেন নাকি অন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যাবেন, তা নিয়েও জল্পনা চলছে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে।

২০০১-০৬ মেয়াদের সরকারে থাকা অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু ও আ ন ম এহসানুল হক মিলনও এবারের মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ইশরাক হোসেন ও ড. রেজা কিবরিয়ার নাম সামনে আসছে। এছাড়া জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ ও নুরুল হক নূরের নামও আলোচনায় রয়েছে।

নতুন সরকারের সঙ্গে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভীও কোনোভাবে যুক্ত থাকতে পারেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
সম্ভাব্য টেকনোক্র্যাট সদস্য হিসেবে মাহদী আমিন ও হুমায়ুন কবিরের নাম শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি স্পিকার পদে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম আলোচনায় রয়েছে।