বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনদুর্ভোগবাংলাদেশ

দখল দূষণে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কুষ্টিয়ার ৮ নদী

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২২, ২:৮

শেয়ার করুনঃ
দখল দূষণে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কুষ্টিয়ার ৮ নদী

এক সময়ের স্রোতস্বিনী কুষ্টিয়ার ৮ নদী অবৈধ দখল ও দূষণে হারিয়ে যেতে বসেছে। জেলার ছয়টি উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এসব নদী এখন ঐতিহ্য হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে চরমে। এসব নদীর বেশিরভাগই পদ্মা-গড়াইয়ের শাখা হলেও অবৈধ দখল, পলি জমে যাওয়া ও দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ভরা যৌবন হারিয়ে এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অনেক স্থানে প্রভাবশারীরা নদীর বুকে পিলার দিয়ে বিভিন্ন পাকা স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। জলাধার সংরক্ষণ আইন থাকলেও কেউ এর তোয়াক্কা করছেন না। নদ-নদী ও খাল-বিল দখল করে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে।

আরও

কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই রোগী, ভোগান্তিতে জনসাধারণ

কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই রোগী, ভোগান্তিতে জনসাধারণ

সরকারি এক হিসাব বলছে, কুষ্টিয়ায় নদ-নদী ও খাল-বিল দখলকারীর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। আবার নদ-নদী দখলের পাশাপাশি সমানতালে চলছে নদী দূষণের পাল্লা। কল-কারাখানার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদ-নদীতে। কোথাও কোথাও ড্রেনের সংযোগ এমনকি মলমূত্রও গিয়ে মিশছে এসব নদীতে।

দৌলতপুর থেকে শুরু করে খোকসা উপজেলার মাঝপাড়া পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার বিস্তৃত পদ্মা নদী। এর প্রধান শাখা গড়াই নদী ৫০ কিলোমিটার, গড়াই নদীর শাখা কালী নদী ছেঁউড়িয়া থেকে ৩৫ কিলোমিটার, সাগরখালী নদী ভেড়ামারা থেকে ১৫ কিলোমিটার এবং হিসনা নদী ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এক যুগ আগেও জেলার এসব নদ-নদীগুলোর যৌবন ছিল। কিন্তু কালের পরিক্রমায় দখল এবং দূষণের কারণে নদীগুলো এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নদীর এখন পানি প্রবাহ নেই।

আরও

কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই রোগী, ভোগান্তিতে জনসাধারণ

দখল দূষণ
https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই রোগী, ভোগান্তিতে জনসাধারণ

দৌলতপুরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে পদ্মা থেকে উৎপন্ন মাথাভাঙ্গা ও হিসনা নদী। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে নদী দুটি এখন চরম অস্তিত্ব সংকটে। নদীর বেশিরভাগ জায়গাই এখন দখলদারদের কবলে। বর্ষা মৌসুমে নদী দুটির কোথাও কোথাও পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে একেবারে মরা খালে পরিণত হয়। কোথাও কোথাও নদীর বুকে তামাক ও ধানচাষ করা হচ্ছে।

ভেড়ামারা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে চন্দনা নদী। পদ্মা থেকে উৎপন্ন হওয়া এক সময়কার চন্দনা নদীর কোনো অস্তিত্ব এখন আর চোখে পড়ে না। প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে নদীর বেশিরভাগ।

মিরপুর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সাগরখালী নদী। নদীটি এখন মৃতপ্রায়। কয়েক বছর আগে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে খনন করে নদীটি আবার সচল করার উদ্যোগ নিলেও তাতে কোনো সুফল মেলেনি। নদীর দীর্ঘ এলাকা এখন পানিশূন্য।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা দিয়ে বয়ে গেছে কুমার নদ। গড়াইয়ের শাখা এ নদটি এখন বিলীন হওয়ার পথে। বাঁধ দিয়ে মাছচাষ করা হচ্ছে নদটিতে। ঝাউদিয়া ও বৈদ্যনাথপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় নদীর বড় অংশ দখল করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে।

কুমারখালীর ডাকুয়া ও কালী নদী শুকিয়ে এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। খোকসা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সিরাজপুর হাওর নদী। গড়াইয়ের অন্যতম এ শাখা নদীটি শুকিয়ে গেছে বেশ কয়েক বছর আগেই। নদীর দুই অংশে দুটি কালভার্ট ও স্লুইস গেটে অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ নির্মাণের ফলে নদী তার স্বাভাবিক অবস্থা হারিয়ে ফেলেছে।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার নদ-নদী ও খালের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত তিন হাজার দখলদার রয়েছে। ফলে নদ-নদী ও খালের প্রবাহ এখন আর স্বাভাবিক নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন পৃথকভাবে এসব দখলদারদের চিহ্নিত করেছে।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

জেলার ছয়টি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়া কার্যালয় সরেজমিন পরিদর্শন করে এ তালিকা তৈরি করেছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ের একটি সূত্রের দাবি, কয়েক বছর আগের করা এ তালিকার বাইরে বর্তমানে দখলদারদের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া দখলদারদের তালিকায় রয়েছে পদ্মা নদী, গড়াই নদী ও কয়েকটি বিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তালিকায় এসব নদ-নদীর বাইরেও দখলে রয়েছে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের ছোট-বড় খালগুলো। তবে সবচেয়ে বেশি দখলদার রয়েছে ভেড়ামারার হিসনা নদীতে। সেখানে নদী দখল করে পাকা দালানও করা হয়েছে।

সরেজমিন হিসনা নদী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর উভয় পাড়ে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর বুকে পানি না থাকায় কোনো কোনো জায়গায় ধানচাষ করা হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই এটা একটা নদী।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় হিসনা নদীতে বড় বড় ট্রলার চলতো। তবে নদীর বর্তমান অবস্থা দেখে সে কথা কেউ বিশ্বাস করবে না।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তালিকা অনুযায়ী, পদ্মা নদী, গড়াই নদী ও সেচ প্রকল্পের ছোট-বড় খাল দখল করে আছে অন্তত দুই হাজার ৯২১ জন দখলদার। বেশিরভাগই পাকা ও আধাপাকা টিনের বসতঘর। কোনো কোনো জায়গায় টিনের দোকান রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে অবৈধভাবে দখল করে বাস ও ব্যবসা করে আসছেন তারা।

জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম বলেন, নদ-নদী ও খাল দখলকারীদের তালিকা আমাদের কাছে রয়েছে। যেকোনো উপায়ে নদ-নদী ও খালের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আফছার উদ্দিন জানান, করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে জেলায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রয়েছে। তবে খুব শিগগিরই এসব অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশকর্মী খলিলুর রহমান মজু বলেন, তিনি প্রতিদিন সকালে গড়াই ও পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে হাঁটতে বের হন। কিন্তু নদীর দিকে তাকালে দখল ও দূষণ দেখে কষ্ট লাগে। তিনি বলেন, দখলদারদের যখন চিহ্নিত করা গেছে তখন তাদের আইনের আওতায় আনতে বাধা কোথাই?

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ী নম্বর ঘোষণা

প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ী নম্বর ঘোষণা

নাফ নদীতে সাত জেলে আবারো অপহরণ

নাফ নদীতে সাত জেলে আবারো অপহরণ

ধর্ম যার যার, অধিকার সবার-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধর্ম যার যার, অধিকার সবার-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নবাবগঞ্জে ভুয়া সনদে চাকরি করার অভিযোগে ফেরত দিতে হচ্ছে সাড়ে চৌদ্দ লাখ টাকা

নবাবগঞ্জে ভুয়া সনদে চাকরি করার অভিযোগে ফেরত দিতে হচ্ছে সাড়ে চৌদ্দ লাখ টাকা

কলাপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা প্রদান

কলাপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা প্রদান

সর্বশেষ সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে স্কুল ফিডিংয়ে ভয়াবহ অনিয়ম, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী

শ্রীমঙ্গলে স্কুল ফিডিংয়ে ভয়াবহ অনিয়ম, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী

রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ১৩ দিন বিদ্যুৎ বন্ধ

রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ১৩ দিন বিদ্যুৎ বন্ধ

পানছড়িতে গুলিতে নিহত যুবক, ইউপিডিএফ–গণতান্ত্রিকের কর্মী দাবি

পানছড়িতে গুলিতে নিহত যুবক, ইউপিডিএফ–গণতান্ত্রিকের কর্মী দাবি

আধুনিক স্মার্টফোনে বদলে যাচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন

আধুনিক স্মার্টফোনে বদলে যাচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন

হতাশ নয়, বিপদে ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ইসলাম

হতাশ নয়, বিপদে ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ইসলাম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১২ জন নিহত

বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১২ জন নিহত

দেশজুড়ে হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনায় রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে একাধিক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি অনেকেই আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা জেলায়, যেখানে পৃথক বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা এলাকায় বাড়ির বারান্দায়

কুয়াকাটায় খালের ভাঙা সেতুতে ২ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

কুয়াকাটায় খালের ভাঙা সেতুতে ২ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

পটুয়াখালীর কুয়াকাটার বড়হরপাড়া খালের উপর নির্মিত আয়রন সেতুটি ভেঙে পরার দুই বছর অতিক্রম করলেও নতুন সেতু নির্মাণ হয়নি। ফলে এলাকাবাসী ও পর্যটকরা অস্থায়ী কাঠের সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ ও নড়বড়ে। স্থানীয়রা বলছেন, যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। সরেজমিন দেখা গেছে, কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া খালের উপর ২০০৫ সালে নির্মাণ করা হয় এই আয়রন

খানাখন্দে ভরা গোয়ালন্দ পৌরসভার বাজার সড়ক, দুর্ভোগ

খানাখন্দে ভরা গোয়ালন্দ পৌরসভার বাজার সড়ক, দুর্ভোগ

গোয়ালন্দ পৌর এলাকার বাজারের প্রধান সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে ভরে গিয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। কাগজে-কলমে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও বাস্তবে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে বাসস্ট্যান্ড থেকে তোড়াইড় মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থা যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট

আহসানগঞ্জ স্টেশনে আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় যাত্রীদুর্ভোগ চরমে

আহসানগঞ্জ স্টেশনে আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় যাত্রীদুর্ভোগ চরমে

উত্তর জনপদের জেলা নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের পর্যাপ্ত স্টপেজ না থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা যায়, সান্তাহার ও নাটোরের মাঝামাঝি অবস্থিত এ স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন ৯ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু এর মধ্যে কেবল নীলসাগর এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেসের স্টপেজ রয়েছে। সীমিত আসনসংখ্যার কারণে অধিকাংশ যাত্রী টিকিট পান না। আত্রাই, রাণীনগর, বাগমারা ও সিংড়ার

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান: হঠাৎ গাড়ি পার্কিং বন্ধে বিপাকে পর্যটকরা

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান: হঠাৎ গাড়ি পার্কিং বন্ধে বিপাকে পর্যটকরা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রবেশদ্বারে হঠাৎ করেই গাড়ি পার্কিং বন্ধ করা হয়েছে। পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার কারণে বন বিভাগের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলেও, এর ফলে পর্যটকেরা বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। স্থানীয় ও উদ্যান ভ্রমণকারীরা জানান, পূর্বে উদ্যানের প্রবেশদ্বারের কাছাকাছি গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা থাকলেও কোন প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সম্প্রতি তা বাতিল করা হয়েছে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা