বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১৬ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আন্তর্জাতিক

ক্ষমতা ধরে রাখতেই ইউরোপে যাচ্ছেন সু চি!

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩:২

শেয়ার করুনঃ
ক্ষমতা ধরে রাখতেই ইউরোপে যাচ্ছেন সু চি!

সবশেষ ২০১৬ সালে পশ্চিম ইউরোপ সফরে গিয়েছিলেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি। অর্ধ-শতাব্দীর সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি সেখানে গিয়েছিলেন গণতন্ত্রের পতাকা হাতে। ৩ বছরের ব্যবধানে এবার তিনি ইউরোপে যাচ্ছেন গণহত্যার অভিযোগ মাথায় নিয়ে। যে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তিনি দুনিয়াব্যাপী নন্দিত হয়েছিলেন, এবার তার ইউরোপ সফরের উদ্দেশ্য তাদের গণহত্যার পক্ষে সাফাই গাওয়া। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল’ করতেই নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ যাচ্ছেন তিনি।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরদার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এই নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে গত ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)-এ মামলা করে গাম্বিয়া। ওই মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আগামী ১০ ডিসেম্বর হেগ-এ যাবেন সু চি।

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানাবাধিকার সংগঠন রোহিঙ্গা নিধনের ঘটনায় খুঁজে পেয়েছে গণহত্যার আলামত। তবে এইসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সু চি’ও রোহিঙ্গাদের পক্ষে কোনও ইতিবাচক ভূমিকা নিতে সক্ষম হননি। বরং গণহত্যাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তিনি। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতেও কোনও উদ্যোগ নেননি সু চি। তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়’ আগামী ১০ ডিসেম্বর গাম্বিয়ার দায়েরকৃত মামলার প্রথম শুনানিতে অংশ নেবেন তিনি। সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি পার্টির মুখপাত্র মিও নায়ান্ট বলেছেন, ‘মিয়ানমার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে আসলে কী ঘটেছিল জাতিসংঘের আদালতে তার ব্যাখ্যা দেবেন রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা।’

আরও

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার শুনানিতে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে সু চি থাকায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তিশালী যোগাযোগ রয়েছে সু চির এমন ঘনিষ্ঠজনরা এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছে, এতে করে বিদেশে তার ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ্ন হতে পারে। তবে মিয়ানমারের বাস্তবতা একেবারেই উল্টো। গত সপ্তাহে সু চির সমর্থনে বিশাল মিছিল হয়েছে সেখানে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপে নিযুক্ত মিয়ানমারের পরামর্শক রিচার্ড হর্সে রয়টার্সকে বলেন, ‘মিয়ানমারের অধিকাংশ মানুষ রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে পক্ষপাতমূলক ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলে মনে করে। আর এর বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা নেওয়া উচিত  বলে মনে করেন সু চি।’

আন্তর্জাতিক
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
এর আগে ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর সু চি যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে যান তখন তাকে মানবতার নেত্রী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। তবে পরে রোহিঙ্গা ও জাতিগত সংঘাত ইস্যুতে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। জাতিসংঘের ওই তদন্তের পর মিয়ারমার তীব্রভাবে প্রতিবাদ করে বলেছিল, রোহিঙ্গা ‘জঙ্গিরা’ নিরাপত্তা বাহিনীর ১৩ সদস্যকে হত্যা করেছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে সু চি বলেছিলেন, সহিংসতা সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর পেছনে সন্ত্রাসীরা রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গারা রাখাইনে থাকলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বেসামরিক সরকার প্রধান সু চিও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহারই করেন না। বরং তাদের বাংলাদেশ থেকে সেখানে যাওয়া সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দেয় তারা। এখনও সু চির দলের মুখপাত্র মিও নায়ান্ট বলছেন, বাড়িঘর ছেড়ে তাদের চলে যাওয়াকে মিয়ানমারের অধিকাংশ মানুষ পছন্দ করে না। তবে এই বাঙ্গালিদের চলে যাওয়ার বিষয়টি আলাদা।

৮২-তে প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে পরিচয়হীনতার কাল শুরু হয় রোহিঙ্গাদের। এরপর কখনও মলিন হয়ে যাওয়া কোনও নিবন্ধনপত্র, কখনও নীলচে সবুজ রঙের রশিদ, কখনও ভোটার স্বীকৃতির হোয়াইট কার্ড, কখনও আবার ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ কিংবা এনভিসি নামের রং-বেরঙের পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষকে। এসবের মধ্য দিয়ে বরং ধাপে মলিন হয়েছে তাদের পরিচয়। ক্রমশ তাদের রূপান্তরিত করা হয়েছে রাষ্ট্রহীন বেনাগরিকে। উগ্র বৌদ্ধবাদকে ব্যবহার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্থাপন করেছে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের চিহ্ন। ছড়িয়েছে বিদ্বেষ।  সে কারণে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষও ‘রোহিঙ্গা’দের বাংলাদেশি সন্ত্রাসী হিসেবে দেখে থাকে। গত সপ্তাহে সু চির হেগে যাওয়ার বিষয়টি সমর্থন করে মিছিল হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আরও মিছিল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সু চির সাবেক মিত্র কো কো জিই বলেন, ‘এখন সারাদেশে মিছিল হচ্ছে। এটা তার ভাবমূর্তিকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা। তবে অনেকেই মনে করছেন, এর সবটাই রাজনীতি।’

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগে কয়েকজন সেনা সদস্য ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। তদন্তের পর ২৬ নভেম্বর নিজস্ব আদালতে এই কথিত বিচার শুরু করেছে তারা। রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের ঘটনায় আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শুনানি শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে এই বিচার শুরু করে দেশটি। আগেই মিয়ানমারের ইন ডিন গ্রামে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যার দায়ে  ৭ সেনা সদস্যকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে এক বছরেরও কম সময় কারাভোগের পর গত নভেম্বরে তারা মুক্তি পায়। মিও নায়ান্ট বলছেন, ‘ইন ডিন এবং গু দার পিন গ্রামের গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে যতোদূর জানা যায়, তা হলো সেখানে গণহত্যার মতো তেমন কিছুই ঘটেনি।’

আরও

যুক্তরাষ্ট্র ইরান অচলাবস্থায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন ঝাঁজ

যুক্তরাষ্ট্র ইরান অচলাবস্থায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন ঝাঁজ
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সু চিও জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতের শুনানিতে গণহত্যার অভিযোগ খণ্ডন করবেন। দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় কারেন রাজ্য কর্তৃপক্ষ তিন সেনার সঙ্গে সু চির হাস্যোজ্জল চেহারার ছবি দিয়ে কয়েক ডজন বিলবোর্ড প্রদর্শন করেছে। এতে নিচে লেখা রয়েছে, ‘আমরা আপনার সঙ্গে আছি’। খোদ মিয়ানমারেরই অনেক ভিন্নমতাবলম্বী তাই মনে করছেন স্রেফ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য সু চি সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গাইতে হেগে যাচ্ছেন।

সাবেক সামরিক জান্তা সরকারের খসড়া আইন অনুযায়ী, আইনপ্রণেতাদের এক চতুর্থাংশের মনোনয়ন দেয় সেনাপ্রধান। এবং তাদের সাংবিধানিক পরিবর্তনের ভেটো ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে দেশটির সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সমর্থন ধরে রাখতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার তোয়াক্কা না করেই সেনাবাহিনীর পক্ষে লড়বেন সু চি।

ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব

 

জনপ্রিয় সংবাদ

৫১তম বিশেষ বিসিএসে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

৫১তম বিশেষ বিসিএসে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আত্রাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আত্রাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে ৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক সুলতান উদ্দিন আহমেদের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

গোয়ালন্দের গুণী শিক্ষক সুলতান উদ্দিন আহমেদের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

বিজিবি-গণমাধ্যম বন্ধুত্ব জোরদারে জয়পুরহাটে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

বিজিবি-গণমাধ্যম বন্ধুত্ব জোরদারে জয়পুরহাটে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সংবাদ

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেলে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেলে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই, দিনক্ষণও হয়নি চূড়ান্ত: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই, দিনক্ষণও হয়নি চূড়ান্ত: দীনেশ ত্রিবেদী

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে আগুন, ভাঙচুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে আগুন, ভাঙচুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

তিন দফা কমার পর স্বর্ণের দাম আবার বাড়ল

তিন দফা কমার পর স্বর্ণের দাম আবার বাড়ল

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনাগ্রহের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বেড়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়েছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ বাড়ার খবরে আগের দিন বাজারে তেলের দাম কমেছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১১ শতাংশ

ইরান যুদ্ধের বিজয় দাবি, মার্কিন ভোটারদের বার্তা আইআরজিসির

ইরান যুদ্ধের বিজয় দাবি, মার্কিন ভোটারদের বার্তা আইআরজিসির

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে খোলা চিঠি দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ২৫ পৃষ্ঠার চিঠিতে মার্কিন ভোটারদের সচেতন হওয়ার এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের হাত থেকে দেশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করেছে ইরানের এই সামরিক বাহিনী। চিঠিতে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ, ইরানের পারমাণবিক

দুই দশক পর ইরাক ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

দুই দশক পর ইরাক ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের সামরিক উপস্থিতির পর ইরাক থেকে পুরোপুরি বিদায় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযান শুরুর পর দেশটিতে যে সামরিক উপস্থিতি তৈরি হয়েছিল, শেষ সেনা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। মার্কিন সেনা চলে যাওয়াকে ইরাক সরকার সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখলেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ ও ওষুধ তৈরির উপাদানে শুল্কছাড় দেওয়া হয়েছে। বিরল ও জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধসহ বিশেষ কিছু ওষুধ ও উপাদান শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় আনার সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের তালিকা অনুযায়ী, বিরল রোগের ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, কোষভিত্তিক থেরাপি, জিন থেরাপি,

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত কিয়াকতাও শহরের একটি জনবহুল বাজার এলাকায় জান্তা সরকারের বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৬ জন। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে চালানো এ হামলায় বাজারের ক্রেতা, বিক্রেতা ও পথচারীরা হতাহত হন। আরাকান আর্মি ও স্থানীয় উদ্ধারকর্মীদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। আরাকান আর্মির দাবি, দুপুর ১২টার দিকে একটি যুদ্ধবিমান থেকে স্থানীয়